August 7, 2020, 1:07 am

শিরোনাম :
অপোর নতুন স্মার্টফোন এ৯২ বাজারে রাজশাহী মহানগরীতে কাউন্সিলরের কার্যালয়ে রাতের আধাঁরে জানালা ভেঙে রহস্যজনক চুরি কলাপাড়ায় আয়রন ব্রিজ ভেঙ্গে দূর্ভোগে কৃষক তাহিরপুরে ভারতীয় নাসির বিড়িসহ আটক ২ রাজশাহীতে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে আপত্তিকর অবস্থায় স্ত্রীকে ধরলেন স্বামী ও এলাকাবাসী মেয়র রোকনের বিরুদ্ধে তথ্য প্রতিমন্ত্রীকে নিয়ে মানহানিকর বক্তব্যের প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন র‍্যাব-৫ এর অভিযানে ইয়াবা, মোটরসাইকেল ও অন্যান্য দ্রব্যাদিসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার চিলমারীতে বন্যার্তদের মাঝে ঢাকা মহানগর ও রেডিয়েন্ট রোটারি ক্লাবের ত্রান বিতরণ বোয়ালমারীতে অবৈধভাবে খাল দখল,স্থানীয়দের মাঝে উত্তেজনা আলফাডাঙ্গায় মধুমতি নদীর ভাঙনের কবলে ১০ গ্রাম

জামিন হয়নি মিন্নির, আবেদন ফিরিয়ে নিয়েছেন আইনজীবী

Spread the love

জামিন হয়নি মিন্নির, আবেদন ফিরিয়ে নিয়েছেন আইনজীবী

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির জামিন আবেদন ফেরত নিয়েছেন তার আইনজীবীরা। বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চে গতকাল বৃহস্পতিবার ঘণ্টাব্যাপী শুনানি শেষে জামিন প্রশ্নে রুল জারি করতে গেলে আইনজীবীরা আবেদন ফেরত নেন। আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী জেড আই খান পান্না ও ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোমতাজ উদ্দিন ফকির। পরে জেড আই খান পান্না সাংবাদিকদের বলেন, আমরা মর্মাহত। এখন অন্য কোনো বেঞ্চে আবেদনটি নিয়ে যাবো। এর আগে সোমবার সকালে মিন্নির জামিন আবেদনের কথা জানিয়েছিলেন জেড আই খান পান্না। গত ৩০ জুলাই বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আসাদুজ্জামান জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। ২৬ জুন প্রকাশ্য দিবালোকে বরগুনা সরকারি কলেজ রোডে স্ত্রী মিন্নির সামনে কুপিয়ে জখম করা হয় রিফাত শরীফকে। পরে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রিফাতের মৃত্যু হয়। হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত নয়ন বন্ড ২ জুলাই ভোরে জেলা সদরের বুড়িরচর ইউনিয়নের পুরাকাটা ফেরিঘাট এলাকায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন। এর মধ্যে কয়েকজন আসামিও গ্রেফতার হন। পরে ১৬ জুলাই সকালে বরগুনার মাইঠা এলাকার বাবার বাসা থেকে মিন্নিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বরগুনার পুলিশ লাইনে নিয়ে আসা হয়। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রিফাত হত্যাকাণ্ডে মিন্নির সম্পৃক্ততার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ায় ওইদিন রাত ৯টার দিকে মিন্নিকে গ্রেফতার দেখায় পুলিশ। পরদিন ১৭ জুলাই বিকেলে মিন্নিকে আদালতে হাজির করে সাত দিন রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ। বিকেল সোয়া ৩টার দিকে শুনানি শেষে বরগুনার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সিরাজুল ইসলাম গাজী পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। কিন্তু ওইদিন মিন্নির পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিল না। রিমান্ডের দ্বিতীয় দিন ১৯ জুলাই বিকেল ৫টার দিকে বরগুনা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সিরাজুল ইসলাম গাজীর আদালতে মিন্নি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। বরগুনার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ২২ জুলাই প্রথমবার মিন্নির জামিনের আবেদন করেন তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. মাহবুবুল বারী আসলাম। পরে ওইদিনই শুনানি শেষে আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজী তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। এরপর ২৩ জুলাই মিস কেস দাখিল করে বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আসাদুজ্জামানের আদালতে ফের জামিনের আবেদন করেন মিন্নির আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. মাহবুবুল বারী আসলাম। পরে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নথি তলব করে ৩০ জুলাই এ জামিন শুনানির দিন ধার্য করেন আদালত। শুনানির পর ৩০ জুলাই জামিন নাকচ করেন আদালত।

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ