July 14, 2019, 6:25 am

শিরোনাম :
বর্তমান সরকার শিক্ষাকে অধিক গুরুত্ব দিয়েছে-মেয়র মানিক জগন্নাথপুর-সিলেট সড়কে অনির্দিষ্টকালের জন্য যানবাহন চলাচল বন্ধ জগন্নাথপুরে হাট বাজার ও বাড়িঘরে বন্যার পানি, বেড়েছে জন ভোগান্তি জগন্নাথপুরে সাংবাদিক ফখরুল ইসলামকে সম্মাননা প্রদান রায়নগর ইউনিয়নের উন্নয়নে নৌকা মার্কায় ভোট দিন-রানা ফকির গবরা গোয়াইনঘাটে বন্যার্তদের মাঝে চাল বিতরণে ব্যস্ত জনপ্রতিনিধিরা বরিশালে ৭/৮ বছরের এক কন্যা শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা মৌলভীবাজারে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলে বাড়তে শুরু করেছে বিভিন্ন নদ-নদীর পানি রাজশাহীতে এটিএন বাংলার সিনিয়র সাংবাদিক ছোটনকে হত্যার হুমকি সাংবাদিক মহলের তীর্ব ক্ষোব ও প্রতিবাদ মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার হাটবাজারেরর কিছু কিছু খাবার হোটেলে চলছে পচাবাসী খাবার পরিবেশন, জন স্বাস্হ্য হুমকির মুখে

জনগণের জন্য কাজ করে বলেই আ. লীগের ওপর বারবার আঘাত এসেছে: প্রধানমন্ত্রী

Spread the love

জনগণের জন্য কাজ করে বলেই আ. লীগের ওপর বারবার আঘাত এসেছে: প্রধানমন্ত্রী

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

হীরা যত কাটে, তত উজ্জ্বল হয় বলে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জনগণের জন্য কাজ করে বলেই আওয়ামী লীগের ওপর বারবার আঘাত এসেছে। তবু ৭০ বছর ধরে আওয়ামী লীগ টিকে আছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন হয়েছে। নির্যাতনের শিকার দলটির অসংখ্য নেতাকর্মীর বলিদানেই দলটি শক্তিশালী হয়েছে। গতকাল সোমবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী নেতাকর্মীদের জাতির পিতার আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু বলে গেছেন মহৎ অর্জনের জন্য মহান ত্যাগের প্রয়োজন। তাই সবাইকে বড় অর্জনের জন্য আত্মত্যাগ করতে হবে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে আমরা জনগণের জন্য কাজ করি। আমাদের দল ক্ষমতায় আসলে বাংলাদেশের মানুষ অন্তত কিছু পায়। বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসার কারণেই বারবার নির্যাতনের পরেও শক্তিশালী হয়েছে আওয়ামী লীগ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন বাংলার স্বাধীনতা হারায়। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়। সেই আওয়ামী লীগই বাংলাদেশকে স্বাধীন করে। বঙ্গবন্ধু যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে গড়ে তোলার জন্য প্রতিটি প্রতিষ্ঠান নতুন করে গড়ে তোলেন। সেনা, নৌ, বিমান বাহিনী, পুলিশ বিডিআরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা ও সংবিধান রচনা করে রাষ্ট্র পরিচালনার ব্যবস্থা করেছেন। আওয়ামী লীগ গণমানুষের দল, এই অবস্থা ধরে রাখার জন্য দলকে শক্তিশালী করতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। আওয়ামী লীগের সভাপতি বলেন, সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগকে গড়ে তুলতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন। সেই আওয়ামী লীগের মাধ্যমেই পরবর্তী সময়ে দেশের স্বাধীনতা এসেছে। এই আওয়ামী লীগকে গড়ে তুলতে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পাওয়ার পর মন্ত্রীর পদ ছেড়ে দিয়ে দলকে গোছাতে কাজ করেছেন বঙ্গবন্ধু। সারা বাংলাদেশ ঘুরে তিনি দলকে গড়ে তুলেছেন। তাই প্রতিটি নেতাকর্মীকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত হতে বলেন তিনি। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ওপর অত্যাচার-নির্যাতনের কথা উল্লেখ করে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পাকিস্তানিরা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়েছে। বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পড়লে জানা যায়, আমাদের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক, তিনি অত্যাচার-নির্যাতনে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছিলেন। তিনি বলেন, ১৯৫৭ সালে ভাসানী দল ভেঙে ন্যাপ গড়ে তুলেন। এই সময়ে বঙ্গবন্ধু মন্ত্রী ছিলেন। তখন মন্ত্রিত্ব ছেড়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকা ঘুরেছেন। দলকে সংগঠিত করেছেন। মুক্তিযুদ্ধে নেতাকর্মীদের নির্যাতনের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় কোথায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ঘরবাড়ি আছে, তা খুঁজে খুঁজে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। স্বাধীনতার পরও অত্যাচার-নির্যাতন থেমে থাকেনি। ১৯৭৫-এ জাতির পিতাকে হত্যার পর আবারও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন নেমে আসে। তবে শত অত্যাচার-নির্যাতনেও আওয়ামী লীগ কখনও ভেঙে পড়েনি। বরং আওয়ামী লীগের ওপর যত বেশি আঘাত এসেছে, আওয়ামী লীগ তত বেশি শক্তিশালী হয়েছে। হীরা যেমন যত বেশি কাঁটা হয় তত বেশি উজ্জ্বল হয়, আওয়ামী লীগও তেমন। আর এর পেছনে রয়েছে আওয়ামী লীগের মানুষের জন্য কর্তব্যবোধ, দায়িত্ববোধ, ভালোবাসা, ত্যাগ-তিতীক্ষা। এ জন্যই আওয়ামী লীগ ৭০ বছর ধরে টিকে আছে। সভামঞ্চে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। আলোচনা সভায় অধ্যাপক মুনতাসির মামুন, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাত ও উত্তরের সভাপতি এ কে এম রহমত উল্লাহ প্রমুখ বক্তব্য দেন। যৌথভাবে সভা পরিচালনা করেন দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এবং উপপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন।

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ