June 14, 2019, 2:24 pm

চৌদ্দগ্রামে ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত শিশু আলিশা  ছবিঃ মোঃ এমদাদ উল্যাহ

চৌদ্দগ্রামে ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত শিশু তানহা বাঁচার আকুতি প্রবাসী ও বিত্তবানদের সহযোগিতা চেয়েছে পরিবার

Spread the love

মোঃ এমদাদ উল্যাহ,চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত ৪ বছর ৯ মাসের বয়সী শিশু আলিশা আদনিন তানহা বাঁচতে চায়। সে মুন্সিরহাট ইউনিয়নের ফেলনা গ্রামের নজির আহাম্মদের মেয়ে। তাঁর চিকিৎসায় ১৫ লক্ষাধিক টাকার প্রয়োজন। মেয়েকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন হতদরিদ্র বাবা নজির আহাম্মদসহ আত্মীয় স্বজনরা।জানা গেছে, শিশু তানহা পিতা-মাতার অত্যন্ত আদরের সন্তান। দুরারোগ্য ব্যাধি ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে অন্যান্য শিশুদের মতো খেলাধুলার বদলে তার দিন কাটে হাসপাতালের বেডে। জটিল এ রোগে আক্রান্ত হলেও এখনো বুঝতে পারেনি সে। অন্যান্য শিশুদের মতো শিশু হাসপাতালের বেডেই খেলাধুলায় মেতে উঠে। কথা বলে ৮-১০টি শিশুর মতো স্বাভাবিকভাবে। এদিকে ক্যান্সারে আক্রান্ত শিশু তানহা দীর্ঘ চিকিৎসা চালাতে গিয়ে তার পরিবারও প্রায় নিঃস্ব। দীর্ঘ দেড় বছর ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় ইতিমধ্যেই তানিশার চিকিৎসায় লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় হয়েছে পরিবারের। শুরুতে ক্যান্সার শনাক্ত না হওয়ায় ভালো হওয়ার আশায় পরিবার বে-সরকারী হাসপাতালে ও ঢাকা শিশু হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়। পরবর্তীতে ব্লাড ক্যান্সার শনাক্ত হলে তানহাকে বাড়ি নিয়ে আসে পরিবার। বর্তমানে শিশু তানহার উন্নত চিকিৎসার জন্য পাশ^বর্তী ভারতে নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকা শিশু হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগণ। এজন্য ১৫ লক্ষাধিক টাকার টাকার প্রয়োজন। তানহার পিতা সামান্য মোবাইল মেকানিক। একমাত্র উপার্জনক্ষম পিতার পক্ষে একেবারেই এত টাকা যোগাড় করা অসম্ভব।তানহার বাবা নজির আহাম্মদ কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, তানহা জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ায় তাকে প্রথমে বিভিন্ন বে-সরকারী হাসপাতালে এবং পরবর্তীতে ঢাকা শিশু হাসপাতালে ভর্তি চিকিৎসা করানো হয়। এতে জমানো এবং  আত্তীয় স্বজন থেকে নেওয়া সকল টাকাই খরচ হয়ে যায়। কিছুদিন পূর্বে তার ক্যান্সার শনাক্ত হয়। শিশু হাসপাতালের ডাক্তারদের পরামর্শেই ভারতে নিয়ে চিকিৎসার উদ্যোগ গ্রহণ করি। নিজের নিকট টাকা পয়সা না থাকলেও এলাকাবাসীর সহযোগীতা ও ভালোবাসার আশায় আদরের শিশু কন্যাটিকে ভারতে নিয়ে চিকিৎসার উদ্যোগ নিয়েছি। আল্লাহ রহমত করলে এবং প্রবাসী ও চৌদ্দগ্রামবাসীর সহযোগীতা পেলে হয়তো আমার প্রাণপ্রিয় শিশুকন্যাকে আবারো স্বাভাবিক জীবনে দেখতে পাবো।
ফেলনা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাষ্টার আব্দুল মান্নান জানান, ক্যান্সারে আক্রান্ত শিশুটিকে যে কেউ দেখলেই মায়ার জালে আবদ্ধ হবে। ছোট্ট এই শিশুটি আজ আমার কিংবা আপনার মেয়েও হতে পারতো। তাই অন্যের মেয়ে না ভেবে নিজের মেয়ের মতো দেখে শিশুটির চিকিৎসায় প্রবাসীসহ সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি। তানহার চিকিৎসায় সহযোগীতা পাঠানোর ঠিকানা ঃ মোঃ শাখাওয়াত হোসেন, হিসাব নং- ০৩৪১১১০০১৭০৭৬, ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেড, মুন্সীরহাট বাজার শাখা, চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা। অথবা, বিকাশ পারসোনাল- ০১৮৭১৩৫০৩৫৪।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/১১জুন ২০১৯/ইকবাল

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ