February 22, 2020, 3:22 pm

শিরোনাম :
পীরগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালত কর্তৃক সিলগালা অতপর রাতের বেলায় তালা খোলা! একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সকল ভাষা শহীদদের জানায় বিনম্র শ্রদ্ধা আলফাডাঙ্গায় শতভাগ ক্লিন কুকিং অর্জনে করণীয় শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত র‌্যাব ১৩ রংপুর কর্তৃক জঙ্গি সংগঠন আল্লাহরলের সক্রিয় ৩ সদস্য গ্রেফতার অমর একুশে ফেব্রুয়ারি পালিত একটি সমৃদ্ধশালী দেশ বিনির্মাণে শিক্ষার্থীদের কেবলমাত্র শিক্ষা নয় সুশিক্ষা অর্জন করতে হবে-শেখ আফিল উদ্দিন এমপি লালপুর ফুল চাষী ও ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন বোয়ালমারীতে ২৬ বছর পর পিতার দানকৃত জমি ফেরত চান সন্তান রংপুরে নিভৃত পল্লীতে শহীদ মিনার স্থাপন ইরানের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে শুক্রবার রাত থেকে গণনা শুরু হয়েছে

চিলমারীতে সরকারীভাবে ধান ক্রয়ের লটারীতে কৃষক তালিকায় ব্যপক অনিয়ম মৃত ব্যাক্তির নামসহ ধান দিচ্ছেন সিন্ডিকেটরা

Spread the love

আরিফুল ইসলাম সুজন,চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে সরকারীভাবে ধান ক্রয়ের লটারিতে ব্যপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। তালিকার লটারীতে মৃত ব্যাক্তির নামসহ নানান অভিযোগ। জমিজমা না থেকেও লটারিতে নাম বিজয়ী হয়েছে অনেক কৃষকের । কৃষকের বদলে সিন্ডিকেট কৌশল অবলম্বনে দালাল-ফড়িয়ারা ধান দিচ্ছেন সরকারি গুদামে।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রয়ক দপ্তর সুত্রে জানা যায়, চিলমারী উপজেলায় চলতি বছরে আমন ধান ২৬ টাকা কেজি দরে ৮৮১ মেট্রিক টন ধান, সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত ধান সংগ্রহ কার্যক্রম চলবে।
কর্তৃপক্ষের সিন্ধান্ত মোতাবেক লটারীর মাধ্যমে কৃষক নির্বাচন করা হলেও তালিকায় ব্যপক অনিয়ম পাওয়া যায়। উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের বাসিন্দা মৃত ব্যক্তি আঃ মজিদ পিতা আকবর আলীর নাম উঠে। থানাহাট ইউনিয়ন পরিষদের মৃত ব্যক্তির তালিকায় তার মৃত (সিরিয়াল নং-১৪৯৬)। এছাড়াও লটারীতে এমন কৃষকের নাম উঠেছে যার বিন্দুমাত্র জমিও নেই। শুধু তাই নয় মৃত্যু ব্যাক্তির নামও তালিকায় প্রকাশ পায়। সরকারিভাবে ধান ২৬ টাকা কেজি দরে দাম নির্ধারণ করে ক্রয় করা হলেও এর সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে প্রকৃত কৃষকরা। শুধু তাই নয় সিন্ডিকেটের লোকজন কৌশলে কৃসকদের কাছ থেকে কৃষি কার্ড, জাতীয় পরিচয়পত্র, ছবি এবং ব্যাংক হিসাবের চেক হাতিয়ে নিচ্ছে। ব্যাংক হিসাব না থাকা কৃষকদের ব্যাংক হিসাবও খুলে দিচ্ছেন সিন্ডিকেটরা।এ ব্যপারে উপজেলা কৃষি অফিসার কুমার প্রণয় বিষাণ দাশ বলেন, তালিকা গুলো অনেক আগে করা হয়েছে। তাই এ রকম হতে পারে । কিন্তু মৃত ব্যক্তির নাম কিভাবে আসলো তা ক্ষতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।এ দিকে এমন অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা (ভারঃ) খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা মোঃ রবিউল ইসলাম জানান, কৃষকরাই ধান নিয়ে আসছে গুদামে । যদি এমন অভিযোগ থাকে তাহলে সেটিই আমাদের কৃষি অফিসার দায়ি। কারন কৃষক তালিকা তৈরী সম্পুর্ন কৃষি অফিসের দায়িত্ব।  উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ ডব্লিউ এম রায়হান শাহ্ বলেন, কৃষি অফিসের তালিকা অনুযায়ী লটারীর মাধ্যমে কৃষক নির্বাচন করা হয়েছে, লটারীতে নির্বাচিত কৃষকদের কাছ থেকেই ধান নেয়া হচ্ছে। কৃষকদের বদলে ফড়িয়া বা দালাল সিন্ডিকেট বা তালিকায় কোন প্রকার অনিয়ম থাকলে তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/২০ জানুয়ারি ২০২০/ইকবাল

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ