September 23, 2020, 7:36 am

শিরোনাম :
বিশ্বম্ভপুরে শিশু ও নারী উন্নয়নে সচেতনতামূলক ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে নতুন জেলা প্রশাসক এলেই ষড়যন্ত্রমূলক বেনামি উড়ো চিঠিতে দেওয়া হয় অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ! ১০ অক্টোবর জগন্নাথপুর পৌরসভার উপ-নির্বাচন নওগাঁ’র নিয়ামতপুরে কলেজ ছাত্রীর চুল কেটে অশ্লীল ছবি তুলে ইন্টারনেটে প্রচারের হুমকি অভিযুক্ত গ্রেফতার! রাজশাহীর কাটাখালীতে পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ মাইক্রোবাস জব্দ’ আটক-৪ চৌমুহনীতে স্বাস্থ্য বিধির উপর উম্মুক্ত উঠান বৈঠক চৌদ্দগ্রামে অসহায় মেধাবী শিক্ষার্থীকে সেলাই মেশিন প্রদান রংপুরে দুই কৃষকের জমি সরকারি গৃহায়ণ সমবায় সমিতির কালো থাবার কবলে মনিরামপুরে অনৈতিক কাজের জন্য সিনেমা হল সিলগালা দ্বৈব নির্দেশে সুন্দরীমালাকে কিনলেন লালমনিরহাটের দুলাল বায়েজিদ থানা বিএনপির সভাপতি হারুন সহ ৩০ নেতা-কর্মীর মুক্তি লাভ ২৪ ঘণ্টায় আরো প্রায় ৪ হাজার মানুষের মৃত্যু নূরের নামে এবার কোতয়ালী থানায় মামলা বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকর রোডম্যাপ প্রণয়নের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সুন্দরগঞ্জে স্কুল ছাত্রী অপহরণের অভিযোগে আটক ৩ যাত্রাবাড়ী থানা এলাকা থেকে ০৬ জন ছিনতাইকারী আটক কেশবপুরে অজ্ঞান পাটির কবলে পড়ে এক স্কুল শিক্ষকের মৃত্যু জগন্নাথপুরে স্বামীর খাটের বারিতে স্ত্রী নিহত কেরানীগঞ্জে চিকিৎসকের অবহেলায় প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ বগুড়া সদরের গোকুল ইউনিয়নের সরলপুরে গ্রাম্য শালিশে এক ব্যক্তির গালে কামড়ে রক্তাক্ত জখম,হাসপাতালে ভর্তি থানায় অভিযোগ

ঘুরে আসুন শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ সেবাশ্রম সিন্দুরপুর ইউনিয়ন, দাগনভূঞা, ফেনী

Spread the love

ঘুরে আসুন শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ সেবাশ্রম সিন্দুরপুর ইউনিয়ন, দাগনভূঞা, ফেনী

হিন্দু মন্দির হল হিন্দুদের দেব-উপাসনার স্থান। ‘মন্দির’ বা ‘দেবালয়’ বলতে বোঝায় ‘দেবতার গৃহ’। মানুষ ও দেবতাকে একত্রে নিয়ে আসার জন্য হিন্দুধর্মের আদর্শ ও ধর্মবিশ্বাস-সংক্রান্ত প্রতীকগুলির দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মিত ভবন বা স্থানকেই ‘মন্দির’ বলা হয়। হিন্দু মন্দির এমন একটি আধ্যাত্মিক কেন্দ্র যেখানে মায়ার জগৎ থেকে মানুষ তীর্থযাত্রী বা পূণ্যার্থীর বেশে জ্ঞান ও সত্যের জগতের সন্ধানে আসেন।

ওঁ তৎসৎ
শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ সেবাশ্রম
স্থান : নারায়ণপুর
স্বর্গীয় তারকবন্ধু নাথের বাড়ী
১ নং সিন্দুরপুর ইউনিয়ন
দাগনভূঞা, ফেনী

হিন্দু মন্দির হল হিন্দুদের দেব-উপাসনার স্থান। ‘মন্দির’ বা ‘দেবালয়’ বলতে বোঝায় ‘দেবতার গৃহ’। মানুষ ও দেবতাকে একত্রে নিয়ে আসার জন্য হিন্দুধর্মের আদর্শ ও ধর্মবিশ্বাস-সংক্রান্ত প্রতীকগুলির দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মিত ভবন বা স্থানকেই ‘মন্দির’ বলা হয়। হিন্দু মন্দির এমন একটি আধ্যাত্মিক কেন্দ্র যেখানে মায়ার জগৎ থেকে মানুষ তীর্থযাত্রী বা পূণ্যার্থীর বেশে জ্ঞান ও সত্যের জগতের সন্ধানে আসেন।
এই রকম একটি মন্দির হলো শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ সেবাশ্রম, প্রফুল্ল চন্দ্র নাথ, স্থান ঃ নারায়ণপুর, ১ নং সিন্দুরপুর ইউনিয়ন, দাগনভূঞা, ফেনী।


ঘটনা হলো আজ থেকে ৫২ বছর আগে হঠাৎ করে একদিন দ্বিপহর বেলা স্বর্গীয় তারকবন্ধুর বাড়িতে অর্থাৎ আমার পিতার বাড়িতে হঠাৎ আগুন লেগে যায়। আগুনে সবকিছু পুড়ে শেষ হয়ে যায়। তখন তাদের ঘরে কোন কিছু অবশিষ্ট আছে ধারনা ছিল না। উক্ত গৃহে একটি ধর্মগ্রন্থ ছিল। কিন্তু ধর্মগ্রন্থটি পুড়ে যায় নাই। ধর্মগ্রন্থটি একটি বেল গাছের উপরে বসে থাকে। আমাদের কোন কিছুই দৃষ্টিগোচর ছিল না। কিছুদিন পরে আমার বাবাকে (স্বর্গীয় তারকবন্ধু) স্বপ্নে যোগে দেখায় ধর্মগ্রন্থটি বেল গাছের উপরে আছে। পরবর্তীতে ধর্মীয়ভাবে পুনরায় উক্ত ধর্মগ্রন্থটি নামিয়ে আনা হয়। ধর্মীয় ঘরে রেখে দেয়া হয়। তারপরে সে বছর কৃষ্ণের জন্মাষ্টমীর দিন রাত্রে আমাকে কৃষ্ণরূপে সাজানো হয়। এরপর থেকে কৃষ্ণের আর্ভিভাব হয় এবং আমার মুখে আসে জয় রাধে রাধে গোবিন্দ। তখন আমার বয়স ৮-১০ বছর। সংসারে তাড়নায় সবকিছু বুঝে উঠতে পারি নাই। আমাদের বাড়িতে প্রতি বছর অষ্টপ্রহর হরিনাম যজ্ঞ অনুষ্ঠান হতো। কিন্তু কালক্রমে হরি নাম যজ্ঞ বন্ধ হয়ে যায়। তখন বাড়িতে এমন সময় হঠাৎ করে একটি শ্রীকৃষ্ণ ডেইরি ফার্ম নামে প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠে। তখন আমাদের ১টি গাড়ী, দোকানদারী, ডেইরি ফার্ম ছিল। ডেইরি ফার্মের ২৬টি গাভী ছিল। তখন সকাল বেলা ১ মণ দুধ, বিকাল বেলা ২৬ কেজি দুধ হতো। এই ফার্মে রানী নামে একটি গাভী ছিল। উক্ত গাভীটি প্রতিদিন দুধ দিত ১৭-১৮ কেজি। কিন্তু কোন বাচ্ছা/শাবক দিত না। ওই গাভীতে স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ দুধ সেবন করতো। কিন্তু বুঝেও তা বুঝে উঠতে পারি নাই।


এর ভুল বুঝার কারণে হঠাৎ করে সংসারে অভাব অনটন দেখা দেয়। কিন্তু দোকান, ডেইরি ফার্ম, গাড়ী সবই শেষ হয়ে যায় অল্প দিনে। উক্ত ডেইরি ফার্মে ২৬টি গাভী মারা যায়। তখন পরম অসহায় হয়ে পড়ি।
এরপর পুনরায় শ্রীকৃষ্ণ আবার দেখা দেয়। তারপর থেকে বিষয়, বাসনা ত্যাগ করে শ্রীকৃষ্ণের শরণাপন্না হই। শ্রীকৃষ্ণের আর্শীবাদে ২০১২ সাল থেকে শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ সেবা আশ্রম এর কাজ শুরু করি। অল্প পুঁজি দিয়ে ৪৫০০ বর্গফুট মন্দিরের কাজ শুরু করি। ২০২০ সালে একতলা কাজ সমাপ্ত করি। ২য় তলার কাজ শুরু করার জন্য চেষ্টা করিতেছি। কিন্তু অর্থের অভাবে কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। হৃদয়বান কোন ভক্তবৃন্দ এই মন্দিরে অর্থ দান করেন, তার জন্য কৃতার্থ হইবো। মন্দিরের ব্যাংক হিসাব হলো : একাউন্ট নং ঃ ০১১১১০০৩৯৯৯২২, শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ সেবাশ্রম, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক, সিন্দুরপুর শাখা। বিকাশ নাম্বার ঃ ০১৭১৩৬১২২৮৭।
এই মন্দিরে স্বয়ং বিষ্ণুপদ আছে। যাহা বিষ্ণু জানাতি পরম বৈষ্ণব। এইখানে রাধা গোবিন্দ বির্গহ আছে। যাহা দেখার মতো। প্রতিবছর দুর্গাপূজা হয়।

শ্যামাকালী ও মহাদেবের বিগ্রহ আছে। তাহাও দেখার মতো। প্রতি শুক্রবার ভোগ বিলাস হয়। প্রতি মাসে এখানে অমাবস্যার দিন কালীপূজা হয়। এখানে পুনরায় একটা কামধেনু উদঘাটন হয়েছে।

আজকে থেকে দুই বছর আগে ২০১৮ সালে একাদশীর দিন আমি যখন সিন্দুরপুর বাজারের দিকে যাচ্ছি, তখন একজন গরু বেপারী একটি ছোট বাছুর নিয়ে আসছে। আসার পথে সে চা খাওয়ার সময় বাছুরটাকে বেঁধে রাখে। আমি যখন সিন্দুরপুর বাজারের দিকে যাচ্ছি আলৌকিক ভাবে বলছে আমাকে নিয়ে যাও। আমি এদিক সেদিক ঘুরে দেখি কেউ নেই। দূরে দেখা যাচ্ছে এই বাছুরটি বাঁধা আছে। তখন উক্ত বেপারীর কাছে গিয়ে জানতে চাই, বাছুরটা কার। বেপারীর বলে, বাছুরটা আমার। তখন আমার কাছে কোন টাকা পয়সা ছিল না। তখন বেপারী কাছে জানতে চাই বাছুরটার দাম কত। বেপারী দাম বলে ১৪ হাজার টাকা। তখন বাছুর নিয়ে আমি অনেক কষ্ট করে বাছুরটা দাম পরিশোধ করি। বাছুরটা নিয়ে আমি লালন পালন করি। বাছুরটা কিনার ৬ মাস পর আলৌকিক একটা ঘটনা ঘটে।

মন্দিরের সামনে একটি আম গাছ ছিল। এই আম গাছে শুধুমাত্র একটি আম ধরে এবং হঠাৎ করে আমার সামনে পড়ে। তখন আমি নিজে নিজে বলতেছি ভক্তদের দেয়া কাঁঠাল, কলা ঘরে আছে। আমার ঘরে এখন আম, কাঁঠাল ও কলা আছে। কিন্তু দুধ নেই। আমি রাত্রে ঘরে গিয়ে ঘুমানোর পরে স্বপ্নযোগে গৌরাঙ্গ মহাপ্রভু বলতেছে যে, তুমি কত দুধ চাও। আমি সকালে ঘুম থেকে বাছুরটা ঘর থেকে বের করে মনে আনন্দে দুধের বাটগুলো টান দিই তখন ক্রমান্বয়ে দুধ আসতেছে। তখন মন্দির থেকে বাসন নিয়ে দুধ দোহন করি এবং সেদিনের মহাদেব শিবলিঙ্গে দুধ ঢালি। এভাবে দুধ দিয়ে আসছে। কোন ভক্ত যদি আকুল প্রাণে আসে তিনদিন চরণামৃত সেবন করে তাহলে যে কোন ভক্তের জটিল ও কঠিন রোগ নিরাময় হয়ে যায়। অনেক ভক্তবৃন্দ এতে উপকার পেয়েছে।


কোন ভক্তবৃন্দ মন্দিরের জন্য প্রনামী হিসেবে দান করতে চাইলে ব্যাংকের মাধ্যমে অথবা বিকাশ নম্বরে সাহায্য করতে পারবেন। একাউন্ট নাম্বার ঃ ০১১১১০০৩৯৯৯২২, শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ সেবাশ্রম, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক, সিন্দুরপুর শাখা। বিকাশ নাম্বার ঃ ০১৭১৩৬১২২৮৭।

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ