July 12, 2020, 6:22 pm

শিরোনাম :
পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১৭ শ্রমিকের করোনা রিপোর্ট নিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের সন্দেহ ঝিকরগাছার বিদায়ী নির্বাহী অফিসারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা বক‌শিগ‌ঞ্জে জা‌তির জনকের ছ‌বি ভাংচু‌রের বিচার চাই‌লেন মেয়র নবীগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের কমিটি অনুমোদন দিল জাতীয় অনলাইন প্রেসক্লাবঃ সাংবাদিকদের মধ্যে আনন্দ উল্লাস জুয়া খেলার সংবাদ প্রকাশ করায় চ্যানেল এস এর ভৈরব উপজেলা প্রতিনিধি কে দেখে নেওয়ার হুমকি সুন্দরগঞ্জে যুবকের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ উথলী ইউনিয়ন পরিষদ জেলায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন রাজশাহীর তানোরে সাংসদ ওমর ফারুক চৌধুরীর জমিতে টিএসসি কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন শিবগঞ্জে করোনায় সামাজিক দূরুত্ব বজায় ও মাস্ক ব্যবহার না করায় ৬১ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা শিশুর প্রাণ বাঁচাতে অসহায় পরিবারের পাশে কুমিল্লার মানবিক পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম

গাইবান্ধা রেল স্টেশনে কাঠপট্টি এলাকার রেইন্ট্রি গাছের সাঁরি চিল কাকের অভয়ারণ্য

Spread the love

আশরাফুল ইসলাম,গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ

গাইবান্ধা রেলওয়ে স্টেশনের পশ্চিমে কাঠপট্টি এলাকা সংলগ্ন রাস্তা জুড়েই সাঁরিবদ্ধভাবে রয়েছে অনেক পুরোনো বড়ো বড়ো রেইনট্রি গাছ। প্রতিটি গাছের বয়স প্রায় শতবর্ষ ছাড়িয়েছে। এই গাছগুলোর প্রতি গাইবান্ধাবাসীদের রয়েছে অন্যরকম এক ভালবাসা। এগুলো পাখিদের অভয়ারণ্য এবং সংলগ্ন রেল স্টেশনের যানবাহনের স্ট্যান্ডের চত্বরটি খ্যাতি পেয়েছে কাউয়া (কাক) চত্বর হিসেবে।বড়ো বড়ো ওই গাছগুলোতেই অনেকদিন আগে থেকেই থাকে অনেক চিল আর পাতি কাক। ওখানেই বাসা বাঁধে ওরা। কারণ চিল, কাক, শকুন এ জাতের পাখিরা সাধারণত নিরাপত্তার কারণেই উচুঁ গাছে আশ্রয় নিতেই পছন্দ করে। এছাড়া প্রজনন মৌসুমে এরা বাঁসাও বাঁধে উঁচু কোন গাছে। এখন পুরোনো বড়ো উচুঁ গাছ অনেক কমে গেছে, অবাধ বৃক্ষ নিধনের ফলে। তাই গাইবান্ধা রেল স্টেশন সংলগ্ন গাছপালায় আশ্রয় নেয় ওই চিল কাকের দল।সকালেই এখানের এই চিল কাকরা খাবারের খোঁজে উড়ে চলে যায় দুর দূরান্তে। ফিরে আসে ঠিক গোধূলী বেলায়। গাছে এসে বসে, আবার ঝাঁক বেঁধে আকাশে ওড়ে, আবার বসে। এ যেন ওদের দলবদ্ধ এক ওড়াওড়ি খেলা।এমনটি চলতেই থেকে সন্ধ্যা পেরিয়ে রাতের আঁধার ঘনিয়ে আসার আগ অবধি।গাইবান্ধা রেল স্টেশনের যানবাহনের ষ্ট্যান্ডটি এই গাছগুলোর নিচেই। বিশেষ করে বিকেলে এবং রাতে এখানে আড্ডা জমে নানা শ্রেণি পেশার মানুষের। অলস সময় কাটে তাদের এবং কাক চিলের ডাকাডাকির পাশাপাশি চলে আলাপচারিতা। অনেকের দেখা সাক্ষাতের স্থানও এই চত্বর। যখন মানুষ থাকে না দিনভর কাকেরও আড্ডা বসে এই চত্বরটিতে। তাই কাউয়া চত্বর (কাক) হিসেবেই এই স্থানটি সর্বাদিক পরিচিতি অর্জন করেছে। স্থানীয় লোকজন কাউয়া চত্বর বললেই এলাকাকে এক নামেই চেনে।সাঁরিবদ্ধ রেইনট্রি গাছ থাকায় প্রচণ্ড গরমের সময়টিতে এখানকার ঠান্ডা নিরিবিলি পরিবেশও অনেকের পছন্দ। এই কাউয়া চত্বর, রেইনট্রি গাছের সারি এবং এখানকার চিল কাকের ভীড় গাইবান্ধা রেল স্টেশন সংলগ্ন এই চত্বর ও কাঠপট্টির এই সড়কটিতে ভিন্নমাত্রা এবং পরিবেশ প্রকৃতির নান্দনিক সৌন্দর্য এনে দিয়েছে।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/১৩ নভেম্বর ২০১৯/ইকবাল

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ