October 12, 2019, 2:12 pm

শিরোনাম :
একই স্থানে ৯ জনের অপমৃত্যু পীরগঞ্জের বালুয়া আখিরা নদীতে অপমৃত্যু রোধে দেয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত জগন্নাথপুরে জুয়ার আসর বসানোর দায়ে ব্যবসায়ীকে ১৫ দিনের দন্ড কেশবপুর থানা ও কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রীর মধুকবির জন্মস্থান সাগরদাঁড়ী পরিদর্শন রংপুরের মিঠাপুকুরে সাত বছরের শিশু ধর্ষিত- রংপুর মেডিকেলে চিকিৎসাধীন ‘শিক্ষাঙ্গনে ছাত্র রাজনীতি বন্ধের সিদ্ধান্ত হবে আত্মঘাতী’ বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি বন্ধের সিদ্ধান্তের বিপক্ষে নুর তালায় লিগ্যাল এইড বিষয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত বায়েজিদে চোরাই সিএনজিসহ গ্রেপ্তার ২ একই স্কুলে ২৭ বছর ! শৈলকুপায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ

কয়েক মাসের মধ্যেই মঙ্গলযাত্রায় প্রস্তুত হবে স্পেসএক্স

Spread the love

কয়েক মাসের মধ্যেই মঙ্গলযাত্রায় প্রস্তুত হবে স্পেসএক্স

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

একপাশে ১১ বছরের ইতিহাস ফ্যালকন ১, অন্যপাশে ভবিষ্যতের নভোযান স্টারশিপ। মাঝে দাঁড়িয়ে ইলন মাস্ক বলছেন তার স্বপ্নের কথা। মেক্সিকো সীমান্ত থেকে কয়েক কিলোমিটার ভেতরে টেক্সাসের একটি গ্রাম বোকা চিকা। কয়েক বছর আগেও কোনো খবরে আসতো না এই গ্রামের কথা। সেই প্রত্যন্ত গ্রামেই হাজির নানা সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধি আর মহাকাশে উৎসাহী লোকজন। তাদের নিরাশ করেননি মাস্ক। স্টারশিপ উন্মোচনের পরপরই ঘোষণা দিলেন মাস ছয়েকের মধ্যেই তার এই নভোযান চাঁদ এমনকি মঙ্গলেও পাড়ি জমানোর জন্য প্রস্তুত থাকবে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তার প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স খুব দ্রুততার সঙ্গেই মহাকাশযানের এই নতুন সংস্করণটি তৈরি করেছে। মাস্ক আরও বলেন, “মহাকাশমুখী একটি সভ্যতা হিসেবে নিজেদের দাঁড় করাতে হলে আমাদের যে গুরুত্বপূর্ণ ধাপটি পেরোতে হবে তা হলো এই মহাকাশ ভ্রমণকে আমাদের স্বাভাবিক উড়োজাহাজে ভ্রমণের পর্যায়ে নিয়ে আসতে হবে।” “স্টারশিপ” নামের নতুন মহাকাশযানটি মসৃন স্টিল দিয়ে তৈরী। যানটি প্রায় ডজনখানেক মানুষকে চাঁদে এবং মঙ্গলে নিতে সক্ষম। মাস্কের আন্তঃগ্রহ অভিযানের দৈত্যাকার সিস্টেমটির উচ্চতা ৩৮৭ ফুট যার ওপরের অর্ধেক হচ্ছে এই স্টারশিপ। আর এটি পূনঃব্যবহারযোগ্য। মাস্কের এই চন্দ্রমিশনটি মূলত নাসার আর্টেমিস প্রোগ্রামের সমান্তরাল যেখানে নাসা ২০২৪ সালে চাদে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। শুক্রবার নাসা একটি বিবৃতিতে জানায়, তারা স্পেসএক্স কে বলেছে কিভাবে চাঁদে অবতরণ করা যায় এবং কিভাবে রকেটকে পুনরায় জ্বালানি প্রতিস্থাপন করা যায় সেই প্রযুক্তি তৈরি করতে। চন্দ্রঅভিযানে খুবই গুরুত্বপূর্ণ হবে এই প্রযুক্তি। তবে, ইলন মাস্কের মহাকাশযাত্রার স্বপ্নের খেসারত অনেকটাই দিচ্ছে বোকা চিকা গ্রাম। রকেট ইঞ্জিনের বিকট শব্দে অসম্ভব স্নায়ুপীড়নে আছেন স্পেসএক্স লাগোয়া এলাকার লোকজন। কয়েক কিলোমিটারের মধ্যে ডজনদুয়েক পবিরারের বসবাস এখানে। এই পীড়ন থেকে গ্রামবাসীকে ‘রক্ষার’ উপায় নিয়েও ভেবেছেন মাস্ক। উপস্থিত জনসাধারণকে বললেন – “প্রকৃত সমস্যা তুলনামূলকভাবে কম, একেবারে আবার কমও না। তাই গ্রামটি বরং কিনে ফেলাই ভালো হবে। আমরা ইতোমধ্যেই প্রস্তাবটি দিয়েছি।” তবে, জমির বাজারমূল্যের চেয়ে তিনগুণ দামে গ্রামটি কিনে ফেলার প্রস্তাব দেওয়া হলেও কাঙ্ক্ষিত সাড়া মেলেনি।

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ