September 22, 2019, 6:07 am

bty

ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত দেশ গড়তে চাওয়ায় বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয় পাইকগাছার দুস্থ ও হতদরিদ্র মানুষের সাথে শোক দিবসের খাবার খেলেন এমপি বাবু

Spread the love

এস, এম, আলাউদ্দিন সোহাগ,পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ

পাইকগাছার দুস্থ, অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের সাথে শোক দিবসের খাবার খেলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আক্তারুজ্জামান বাবু। তিনি শুক্রবার দুপুরে পাইকগাছা থানা চত্বরে এলাকার অসহায় মানুষের সাথে খাবার খান। ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে পাইকগাছা থানার ওসি এমদাদুল হক শেখ অসহায় মানুষদের জন্য উন্নত মানের খাবার পরিবেশনের এ আয়োজন করেন। এলাকার প্রায় দেড় শতাধিক দুস্থ, অসহায় ও হতদরিদ্র ব্যক্তি ওসি’র ব্যতিক্রমী এ আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে যোগদেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আক্তারুজ্জামান বাবু ও সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (ডি-সার্কেল) মোঃ আছাদুজ্জামান আসাদ। জুম্মার নামাজ আদায় শেষে সংসদ সদস্য বাবু অনুষ্ঠানে গিয়েই উপস্থিত দুস্থ ও অসহায় মানুষের সাথে কুশল বিনিময় করেন। পরে তিনি একই অনুষ্ঠানে তাদের সাথে শোক দিবসের খাবার খান। এ সময় তিনি অসহায় মানুষের সাথে খাবার খেয়ে নিজেকে ধন্য মনে করে বলেন, একটি সুখী সমৃদ্ধিশালী বাংলাদেশ গড়তে চেয়ে ছিলেন বলেই ঘাতকরা সেদিন বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যা করেছিলেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে পরবর্তী প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে শুধু নেতৃত্ব দেননি। তিনি ৭১’র মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়ে বাঙালি জাতির কাঙ্খিত মুক্তি এনেছিলেন। পরে তিনি যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশকে পুর্নগঠন করার মাধ্যমে সোনার বাংলা হিসাবে গড়ে তুলতে চেয়ে ছিলেন। তিনি চেয়ে ছিলেন, এদেশ হবে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত উন্নত দেশ। যে দেশের একটি মানুষও না খেয়ে মারা যাবে না। এমপি বাবু আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর এমন স্বপ্ন যাতে কখনো বাস্তবায়ন না হয় এ জন্য সে দিন স্বাধীনতা বিরোধী ষড়যন্ত্রকারীরা বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের বেশিরভাগ সদস্যকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছিল। আল্লাহর অশেষ রহমতে সেদিন বেঁচে যাওয়া বঙ্গবন্ধুর যোগ্য উত্তরসূরী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর যোগ্য নেতৃত্বে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার দেশকে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত করতে সক্ষম হয়েছে। এখন দেশের একটি মানুষও না খেয়ে মারা যায় না। এটিই বর্তমান সরকারের অনেক বড় সাফল্য উল্লেখ করে বঙ্গবন্ধুর রুহের মাগফিরাত কামনায় ওসি’র ব্যতিক্রমী এ আয়োজনকে সাধুবাদ জানিয়ে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও আদর্শ সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিতে তিনি সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

পাইকগাছায় ভারী বর্ষণে পৌর সদর সহ উপজেলার বিস্তির্ণ এলাকা প্লাবিত; ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
এস, এম, আলাউদ্দিন সোহাগ,পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ

পাইকগাছায় টানা ভারী বর্ষণে পৌর সদর সহ উপজেলার বিস্তির্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ভেসে একাকার হয়ে গেছে অসংখ্য চিংড়ি ঘের। অতিরিক্ত পানিতে তলিয়ে গেছে বিভিন্ন এলাকার রাস্তা-ঘাট। চরম দূর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
সূত্রমতে, টানা কয়েকদিন ধরে এলাকায় অব্যাহত রয়েছে বৃষ্টিপাত। এর মধ্যে শনিবার দিবাগত ভোর রাত থেকে শুরু হয় ভারী বর্ষণ। টানা কয়েক ঘন্টার ভারী এ বর্ষণে প্লাবিত হয় বিস্তির্ণ এলাকা। মোঃ আব্দুল গফফার মোড়ল জানান, ভারী বর্ষণে পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন রাস্তা-ঘাট তলিয়ে গিয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। আইয়ুব আলী জানান, ৫নং ওয়ার্ডের অসংখ্য বাড়ি ঘর জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। শফিকুল ইসলাম মোড়ল জানান, উপজেলা পরিষদ চত্বর সহ ৬নং ওয়ার্ডের পানি নিষ্কাষন ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে। পৌর মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর জানান, আমি ভোরে ভারী বর্ষণের মধ্যে গোটা পৌর এলাকা ঘুরে ঘুরে পানি নিষ্কাষনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছি। ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান শেখ জাকির হোসেন লিটন জানান, গদাইপুর ইউনিয়নের অসংখ্য কাঁচা ঘর-বাড়ি ধ্বসে পড়েছে। প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম কেরু জানান, গড়ইখালীর অসংখ্য চিংড়ি ঘের তলিয়ে গিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আওয়ামী লীগনেতা জিএম ইকরামুল ইসলাম জানান, মৌখালী, ফতেপুর, ধামরাইল, গজালিয়া, ফেদুয়ারাবাদ, ঢেমশাখালী, কাটাবুনিয়া, কলমি বুনিয়া ও উড়াবুনিয়া সহ চাঁদখালী ইউনিয়নের বিস্তির্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ায় সাধারণ মানুষ চরম দূর্ভোগে রয়েছে। বাঁকা, কাটিপাড়া, শ্রীকণ্ঠপুর, রাড়–লী মালোপাড়া সহ রাড়–লী ইউনিয়নের বিস্তির্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে রাড়–লী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ গোলদার জানান।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/১৮ আগস্ট ২০১৯/ইকবাল

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ