July 5, 2020, 9:56 pm

শিরোনাম :
একাটুনা ইউনিয়ন ফাউন্ডেশন কতৃক তাকরীম ফাউন্ডেশনকে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রদান রাসিক মেয়র লিটনের সাথে রাজশাহীর নতুন জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিলের সৌজন্য সাক্ষাৎ চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদে ফেনসিডিল ও ট্রাকসহ ভারতীয় এক চালক আটক চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদে ফেনসিডিল ও ট্রাকসহ ভারতীয় এক চালক আটক বকশিগ‌ঞ্জে প্রধান শিক্ষক দেলোয়ারের ই‌ন্তেকাল রংপুর জেলা পুলিশ সুপারের বিনামূল্যে খাদ্য সামগ্রী ও মাক্স বিতরণ বেনাপোল বন্দর দিয়ে ১০৫ দিন পর আমদানি-রফতানি রপ্তানি শুরু মুজিববর্ষ উপলক্ষে পীরগঞ্জে সাঈদ রেজা শান্ত’র আম গাছের চারা বিতরণ বক‌শিগ‌ঞ্জে গরু মোটাতাজাকরণ ঔষধ বিক্রেতাকে জ‌রিমানা ঝিকরগাছায় ২৫ পিস ফেনসিডিল সহ এক যুবক আটক

কেশবপুরে বোরো ধান চাষের উৎসব চলছে

Spread the love

জাহিদ আবেদীন বাবু, কেশবপুর (যশোর) থেকেঃ

যশোরের কেশবপুর উপজেলায় বোরো মৌসুম শুরু হওয়ায় কৃষকরা বোরোর ক্ষেত প্রস্তুত, ধান রোপন ও পানি নিষ্কাশন করে জলাবদ্ধ বিলগুলো বোরো চাষের উপযোগি করতে নেমে পড়েছে। ফলে উপজলার প্রত্যেকটি মাঠের দিকে তাকালে মনে হবে যেন বোরো ধান রোপনের উৎসব চলছে।
জানা গেছে, কেশবপুর উপজেলার বর্ষার অতিরিক্ত পানি হরিহর, বুড়িভদ্রা, আপারভদ্রা নদী হয়ে শ্রীহরি নদীতে নিষ্কাশন হয়ে থাকে। কিন্তু এ উপজেলাকে বন্যার হাত থেকে রক্ষা করতে পাউবো নদী খাল পুণর্খননের উদ্যোগ নেয়। খননের স্বার্থে কেশবপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড নদীর অধিকাংশ জায়গায় বাঁধ দিয়ে পানি নিষ্কাশন পথ বন্ধ করে রাখে। এছাড়া অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা মাছের ঘেরে ঘের মালিকরা প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে প্রতি শুষ্ক মৌসুমে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন করে ভরাট করে রাখে। অপরিকল্পিত ঘের, নদীতে দেয়া বাঁধ অপসারন না করার কারণে উপজেলার অধিকাংশ বিল জলাবদ্ধ অবস্থা বিরাজমান। ফলে এলাকার কৃষকরা বোরো আবাদের লক্ষ্যে বাধ্য হয়ে স্বেচ্ছাশ্রমে অদম্য কৃষক সমাজ পাঁজিয়া, সুফলাকাটি ও গৌরিঘোনা ইউনিয়নের প্রায় ৫০ বিলসহ কাদারবিল, বোওয়ালিরবিল, পাঁজিয়াবিল, গড়ভাঙ্গার বড়বিলসহ বিভিন্ন জলাবদ্ধ বিলের পানি সেচ পাম্পের সাহায্যে নিষ্কাশন করে বোরো চাষের চেষ্টা করছে।
কেশবপুর উপজেলা কৃষি স¤প্রসারন অফিস সুত্রে জানা গেছে, গত বছর ১৬ হাজার ২১০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়। জলাবদ্ধতার কারণে এ বছর ১৫ হাজার হেক্টর জমি আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এর মধ্যে ১২ হাজার ৯শ হেক্টর জমিতে উফশী (উচ্চ ফলনশীল), ২ হাজার হেক্টর জমিতে হাইব্রিড এবং ১শ হেক্টর জমিতে স্থানীয় জাতের ধান চাষের লক্ষমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে। উপজেলার আলতাপোল, বাঁশবাড়িয়া, গোপসেনা, ভোগতি, দোরমুটিয়া মাঠে গিয়ে দেখা যায়, শত শত কৃষকারা উৎসবমূখর পরিবেশে বোরোর ক্ষেত প্রস্তুত, বোরো ধান রোপন করছে। তবে সার, ডিজেলসহ কৃষি উপকরণ সামগ্রীর দাম বৃদ্ধি আর ধানের অব্যহত দর পতনের কারণে চাষীরা বোরো চাষ নিয়ে হতাশায় ভুগছে। উপজেলার গোপসেনা গ্রামের কৃষক শাহিন জানান, সার, ডিজেলসহ কৃষি উপকরণ সামগ্রীর দাম কম থাকলে উপজেলায় আরো বেশী পরিমান বোরো চাষ হতো।
এ ব্যাপারে কেশবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মহাদেব চন্দ্র সানা জানান, আবহাওয়া অনূকুলে থাকলে বোরো চাষের লক্ষমাত্রা অর্জনের সম্ভবনা রয়েছে। এদিকে কৃষক সমাজ কেশবপুর উপজেলার জলাবদ্ধ বিলগুলো আবাদযোগ্য করতে সরকারি পর্যায়ে সেচ প্রকল্প চালুর দাবি জানিয়েছেন।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/১২ ফেব্রুয়ারী ২০২০/ইকবাল

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ