September 11, 2019, 11:26 am

শিরোনাম :
তালায় ডেঙ্গু আক্রান্ত গৃহবধুর মৃত্যু কালের সাক্ষী হয়ে আছে পৃত্থিমপাশা জমিদার বাড়ি বিশ্ব মানের কফি বাংলাদেশে North End এবং FAO মনে করে বাংলাদেশের কফি বিশ্ব মানের – রিক হার্বাড মোমিন মেহেদীর মনোনয়নে ফিরোজ, রাসেল ও প্রীতি অনলাইন প্রেস ইউনিটির ভাইস চেয়ারম্যান কুয়াকাটা পর্যটনের সমস্যা ও সম্ভাবণা নিয়ে মতবিনিময় ধরা পড়ে বিয়ে, ঘোমটা মাথায় দিয়ে তাহিরপুরের ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে দুর্ধর্ষ চুরি পাট সংগ্রহে ব্যবসায়ীদের ভয় কাটেনি দেশ ভয়াবহ সংকটে, উত্তরণে দরকার বৃহত্তর ঐক্য -বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাত্রলীগের কমিটির বিষয়টি নেত্রী সরাসরি দেখছেন -সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

কালের সাক্ষী হয়ে আছে পৃত্থিমপাশা জমিদার বাড়ি

Spread the love

আব্দুস সামাদ আজাদ,সিলেট প্রতিনিধিঃ

ব্রিটিশ শাসন নেই, কালের পরিক্রমায় হারিয়ে গেছে জমিদারদের প্রতাপ। ইতিহাসের

সাক্ষী হয়ে শুধু রয়ে গেছে তাদের স্মৃতিবিজড়িত কীর্তি। তেমনি একটি দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্য কুলাউড়া উপজেলায় জমিদারী আমলের স্মৃতি বিজড়িত এক ঐতিহাসিক এবং অপূর্ব স্থাপনার নাম পৃত্থিমপাশা জমিদার বাড়ি।জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হলেও যুগের পর যুগ ঠাঁই দাঁড়িয়ে আছে প্রাচীন সভ্যতার এ অনন্য নিদর্শন।
পৃত্থিমপাশায় রয়েছে দু’টি জমিদার বাড়ি। এই জমিদার বাড়ির মতো জীবন্ত জমিদার বাড়ি বাংলাদেশে আর দ্বিতীয়টি নেই।এই জমিদার বাড়িতে পুরোনো কয়েকটি স্থাপনার সঙ্গে রয়েছে জমিদার নির্মিত শিয়া সম্প্রদায়ের একটি চমৎকার নকশা খচিত ইমামবাড়া। প্রত্যেকটি স্থাপনাতে আভিজাত্যের ছাপ স্পষ্ট। পাশেই রয়েছে চমৎকার শান বাঁধানো ঘাটসহ সুবিশাল দীঘি।এই এলাকাটি এক সময় ছিল ত্রিপুরা রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত। এখানকার পাহাড়ি এলাকায় নওগা কুকি উপজাতির বেশ প্রতাপ ছিল। শ্রীহট্ট সদরে (বর্তমানে সিলেট) সেই সময় একজন কাজী ছিলেন যার নাম মোহাম্মদ আলী। ১৭৯২ সালে ইংরেজ শাসকদের পক্ষ হয়ে নওগা কুকিদের বিদ্রোহ দমনে মোহাম্মদ আলী আমজাদ খাঁন ভূমিকা রাখেন। ইংরেজ সরকার এতে খুশি হয়ে মোহাম্মদ আলীর পুত্র নবাব আলী আমজাদ খাঁনকে ১২০০ হাল বা ১৪,৪০০ বিঘা জমি দান করেন। তখনকার সময়ে বৃহত্তর সিলেটের মধ্যে সবচেয়ে স্বনামধন্য এবং প্রভাবশালী অন্যতম জমিদার ছিলেন নবাব আলী আমজাদ খাঁন। সিলেটের বিখ্যাত আলী আমজাদের ঘড়ি ও সুরমা নদীর তীরে চাঁদনীঘাটের সিঁড়ি সমাজসেবায় তার একটি অন্যতম দৃষ্টান্ত। ঐ সময় পৃত্থিমপাশা জমিদার বাড়িতে ত্রিপুরার মহারাজা রাধা কিশোর মানিক্য বাহাদুরসহ বহু ইংরেজ ভ্রমণ করে গেছেন। ইরানের রাজাও ভ্রমণ করে গেছেন।এই বাড়ির ভেতর সবকিছু পুরানো আমলের কারুকাজ খচিত হলেও সেগুলো পরিষ্কার ঝকঝকেই আছে এখনো। জমিদারদের ব্যবহার করা অনেক জিনিসপত্র রয়েছে এ বাড়িতে। রক্ষণাবেক্ষণ করার জন্য এখানে লোক জন রয়েছে। নবাব আলী আমজাদ খাঁর উত্তসুরিরাই দেখাশুনা করেন জমিদার বাড়িটি।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯/ইকবাল

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ