July 17, 2019, 11:08 pm

প্রতিকি ছবি

কলারোয়ায় মাদকের রমরমা বাণিজ্য,প্রশমনে কাজ করছে পুলিশ

Spread the love

বিল্লাল হুসাইন,যশোর জেলা ব্যুরো প্রধানঃ

প্রতিকি ছবি

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী সোনাবাড়িয়া ও কেড়াগাছি ইউনিয়নের বিভিন্ন স্পটে রমরমা মাদকের ব্যবসা চলছে। ফলে এলাকার উঠতি বয়সের যুবকদের নিয়ে তাদের অভিভাবক মহল রয়েছে চরম উদ্বিগ্নতায়। মাদক ব্যবসা নেপথ্যে রয়েছে এলাকার কেতিপয় প্রভাবশালীরা।এলাকাবাসী জানায়, সোনাবাড়িয়া ইউনিয়নের ইউসুফের মোড় এলাকায় স্থানীয় জনৈক ইনসারের সহযোগিতায় চিহ্নিত মাদকব্যবসায়ী একাধিক মাদক মামলার আসামী আড় ভাদিয়ালি গ্রামের জনৈক মোসলেম এক প্রকার খোলা মেলা মাদক বিক্রি করছে। স্থানীয় সাবানার মোড়সহ বিভিন্ন চিহ্নিত স্পটে গাঁজা, ফেন্সিডিল, মদ, ইয়াবা বিকিকিনির দৃশ্য এখন ওপেন সিক্রেটে রুপ নিয়েছে। একইভাবে কেড়াগাছি ইউনিয়নের বোয়ালিয়া মাঝের পাড়া এলাকার হাবিবুর রহমান বড়মাসদের আশেপাশে একইভাবে মাদক বেচাকেনা করছে। তার বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক মাদক মামলা।এলাকাবাসীর অভিযোগ, তাদের খোলামেলা মাদক বেচা-কেনার কারণে সমাজের পরিবেশ মারাত্নকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। মাদকসেবীরা সকাল ১০ টার পর হতে গভীর রাত পর্যন্ত মোটরসাইকেল চেপে মাদক বিক্রির বিভিন্ন স্পটে যাতায়াত করে থাকে। যেকারণে অত্র এলাকা মাদকের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে।এ বিষয়ে কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান এ প্রতিবেদকের নিকট মাদক কারবারীর কথা স্বীকার করে বলেন, কলারোয়ার বিভিন্ন এলাকায় মাদক বিক্রির বিষয়ে তিনি অবগত হয়েছেন । এর সাথে অনেকেই জড়িত রয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে তার কাছে। তবে বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে গোপনে তদন্তপূর্বক তাদেরকে চিহ্নিত করা হচ্ছে,অচিরেই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।এসময় তিনি এলাকার একটি বড় অংশের মানুষ মাদকের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত বলেও অভিযোগ পেয়েছেন। তবে সংশ্লিষ্টদের স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালীরা শেল্টার দেওয়ায় তাদেরকে আইনের আওতায় আনতে একটু সময় ক্ষেপন হচ্ছে।তাদের বিরুদ্ধে অনতিবিলম্বে ইউনিয়ন ওয়ারী সাড়াশী অভিযান চালিয়ে মাদকমুক্ত চেষ্টা করবেন।তিনি আরও বলেন, মূল মাদক ব্যবসায়ীরা খুবই ধুরন্দর। তাদেরকে গ্রেফতারের চেষ্টা করা হলেই থানার গেট পার না হতেই তারা সংবাদ পেয়ে পালিয়ে যায়। প্রতিদিনই ২/১ জন সেবনকারীকে বিভিন্ন পরিমানে মাদকসহ আটক করা হলেও ভ্রাম্যমান আদালত তৎপর নাথাকায় তাদেরকে মামলা দিয়ে আদালতে সোর্পদ করা মাত্রই জামিন নিয়ে বের হয়ে আসে।এসময় তিনি কলারোয়াকে মাদকমুক্ত করতে নানাবিধ পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন,কাজ চলছে অচিরেই ভাল ফলাফল পাওয়া যাবে।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/৯জুলাই ২০১৯/ইকবাল

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ