July 20, 2019, 10:21 pm

শিরোনাম :
র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাদক বিরোধী আভিযান; ২০ জনকে জেল-জরিমানা র‌্যাব-৫ এর অভিযানে হ্যাকার ও ব্যাকম্যাইলার ১জন আটক নিভে যাচ্ছে সাদিয়ার জীবন প্রদীপ টাকার অভাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে প্রিয়া সাহাকে আইনি প্রক্রিয়ায় আনতে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে গৃহবধূকে এসিড নিক্ষেপ করেছে দুর্বূত্তরা এসবিসির বকেয়া পরিশোধে নন-লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানিগুলোর গড়িমসি বিএনপি রাস্তায় নেমেছে : দুদু হোয়াইট হাউজে প্রিয়া সাহার বক্তব্য তার নিজস্ব: রানা দাশগুপ্ত পল্লীবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে বন্যা দুর্গতদের পাশে থাকব : জি এম কাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি : প্রিয়া সাহার উদ্দেশ্য প্রণোদিত অভিযোগ রাষ্ট্রের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ
প্রতিকি ছবি

কলারোয়ায় প্রকাশ্যে চলছে মাদকের রমরমা ব্যাবসা

Spread the love

বিল্লাল হুসাইন,যশোর জেলা ব্যুরো প্রধানঃ

প্রতিকি ছবি

 

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী সোনাবাড়িয়া ও কেড়াগাছি ইউনিয়নের বিভিন্ন স্পটে রমরমা মাদকের ব্যবসা চলছে। ফলে এলাকার উঠতি বয়সের যুবকদের নিয়ে তাদের অভিভাবকমহল রয়েছে চরম উদ্বিগ্নতা। আর এই মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত রয়েছে এলাকার কতিপয় প্রভাবশালী।এলাকাবাসী জানায়, সোনাবাড়িয়া ইউনিয়নের ইউসুফের মোড় এলাকায় জনৈক ইনসারের সহযোগিতায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও একাধিক মাদক মামলার আসামি আড় ভাদিয়ালি গ্রামের মোসলেম খোলামেলা মাদক বিক্রি করছেন।স্থানীয় সাবানার মোড়সহ বিভিন্ন চিহ্নিত স্পটে গাঁজা, ফেনসিডিল, মদ, ইয়াবা বিকিকিনির দৃশ্য এখন ওপেন সিক্রেটে পরিণত হয়েছে। একইভাবে কেড়াগাছি ইউনিয়নের বোয়ালিয়া মাঝের পাড়া এলাকায়  মাদক বেচাকেনা চলছে।এলাকাবাসীর অভিযোগ, তাদের খোলামেলা মাদক বেচা-কেনার কারণে সমাজের পরিবেশ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। মাদকসেবীরা সকাল ১০টার পর হতে গভীর রাত পর্যন্ত মোটরসাইকেল চেপে মাদক বিক্রির বিভিন্ন স্পটে যাতায়াত করে থাকে। বর্তমানে এই এলাকা মাদকের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে।এ বিষয়ে কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান আরটিভি অনলাইনকে জানান, কলারোয়ার বিভিন্ন এলাকায় মাদক বিক্রির বিষয়ে তিনি অবগত হয়েছেন। এরসঙ্গে অনেকেই জড়িত রয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে তার কাছে। তবে বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে গোপনে তদন্তপূর্বক তাদেরকে চিহ্নিত করা হচ্ছে। এই এলাকার একটি বড় অংশের মানুষ মাদকের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত। স্থানীয়রা তাদের শেল্টার দেওয়ার কারণে তাদের আইনের আওতায় আনতে সময় লাগছে। তাদের বিরুদ্ধে দ্রুতই অভিযান চালানো হবে।তিনি আরও বলেন, মূল মাদক ব্যবসায়ীরা খুবই চতুর। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হলেই পালিয়ে যায়। প্রতিদিনেই দুই একজনকে আটক করা হলেও তারা জামিন নিয়ে চলে আসে। মাদক প্রতিরোধে সামাজিকভাবেও সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/১০জুলাই ২০১৯/ইকবাল

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ