May 27, 2019, 4:15 am

কর্মস্থলে ছিলনা কোন ডাক্তার; পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সেবার মান নিয়ে চরম ক্ষোভ এমপি বাবু’র কপিলমুনি ১০ শয্যা হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শন

Spread the love

এস, এম, আলাউদ্দিন সোহাগ,পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ

একদিকে বৈশাখের খরতাপ অপরদিকে চলছে মাহে রমজান। রমজান মানেই অতিরিক্ত ইবাদত ও ফজিলতের মাস। সারাদিন রোজা রাখার পর তারাবীর পর ক্লান্তি শেষে ঘুমিয়ে যেতে না যেতেই আবারও শেষ রাতে উঠতে হয় সাহরীর জন্য। সারাদিন রোজা আর প্রচন্ড গরমের মাঝে সবাই যখন ক্লান্ত সাহরীর পর সকালের নির্মল পরিবেশে সবাই যখন ক্লান্তি দূর করতে ব্যস্ত ঠিক এমনি কাক ডাকা ভোরে নিজের আরাম-আয়েশকে উপেক্ষা করে নির্বাচনী এলাকার উন্নয়ন ও এলাকার মানুষের সেবার প্রত্যয় নিয়ে ছুটে চলেছেন পাইকগাছা-কয়রার সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আক্তারুজ্জামান বাবু। সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় ফণি মোকাবেলায় এলাকার মানুষের সাথে নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন। এরপর ত্রাণ সহায়তা প্রদান সহ বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত সময় পার করেছেন তিনি। পবিত্র রমজান মাসে নিজের পরিবার পরিজনকে উপেক্ষা করে শনিবার কাকডাকা ভোরে বেশিরভাগ মানুষ যখন ঘুমিয়ে ঠিক এমনি সময় নির্বাচনী এলাকার প্রবেশদার পাইকগাছা উপজেলা কপিলমুনি ১০ শয্যা হাসপাতালটি আকস্মিক পরিদর্শন করেন তিনি। সরকারি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এলাকার মানুষকে কতটা সেবা দিচ্ছেন তা নিজের চোখে দেখার জন্য এ আকস্মিক পরিদর্শন করেন তিনি। পরিদর্শন শেষে তিনি সেবা ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এমপি বাবু বলেন, শনিবার সকাল ৮টার দিকে নির্বাচনী এলাকায় প্রবেশ করেই কপিলমুনি ১০ শয্যা হাসপাতাল পরিদর্শন করি। হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে কোন মেডিকেল অফিসারকে কর্মস্থলে পাওয়া যায়নি, সবচেয়ে পরিতাপের বিষয় ১০ শয্যা হাসপাতালে কোন আসন শূন্য থাকার কথা নয়। অথচ সেবার মান এতটাই নিুগামী যে হাসপাতালের সব আসন গুলোই রোগী ছাড়াই ফাঁকা পড়ে রয়েছে। এছাড়া পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার ক্ষেত্রেও উদাসিন রয়েছে হাসপাতালে কর্মরতরা। এভাবে একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের সেবা কার্যক্রম চলতে পারে না। পরিদর্শন শেষে তিনি হাসপাতালে কর্মরত সহ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে কর্মক্ষেত্রে আরো বেশি দায়িত্বশীল হওয়ার কথা বলেন। এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ এএসএম মারুফ হাসান জানান, এমপি মহোদয় সকালে ফোন করে বিষয়গুলো আমাকে বলেছে, মূলত কপিলমুনি ১০ শয্যা হাসপাতালে ২টি পদের বিপরীতে ১জন ডাক্তার কর্মরত রয়েছে। জরুরী বিভাগের জন্য আলাদা কোন ডাক্তার নাই। যার ফলে নিয়মনুযায়ী সকাল ৯টার সময় ডাক্তারের উপস্থিতি থাকার কথা। কিন্তু এমপি মহোদয় সকাল ৮টার দিকে যখন গিয়েছিলেন তখন ডাক্তারকে পাননি। সেবার মান বৃদ্ধি সহ পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার যে বিষয়গুলো বলেছেন সে সব বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও প প কর্মকর্তা জানান।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/ ১২ মে ২০১৯/ইকবাল

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ