March 29, 2020, 8:48 pm

শিরোনাম :
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জনসচেতনতায় রাজশাহীর তানোরে পৌর মেয়র মিজানের ভিন্ন উদ্যোগ হাতজোড় করে ক্ষমা চাওয়া সেই বৃদ্ধকে পাকা বাড়ি করে দেবার প্রতিশ্রুতি দিলেন রাজশাহীর ডিসি হামিদুল হক করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জনসচেতনতায় রাজশাহীর তানোরে পৌর মেয়র মিজানের ভিন্ন উদ্যোগ হাতজোড় করে ক্ষমা চাওয়া সেই বৃদ্ধকে পাকা বাড়ি করে দেবার প্রতিশ্রুতি দিলেন রাজশাহীর ডিসি হামিদুল হক গোয়াইনঘাটে বাড়িয়ে বাড়িয়ে গিয়ে চাউল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণে ভাইস চেয়ারম্যান কয়েছ বগুড়া সদরের বারপুর দিনমজুরদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কেশবপুরে হতদরিদ্র ৬শত পরিবারের মাঝে মাস্ক, সাবান ও লিফলেট বিতরণ করোনার ভয়াবহ প্রভাব যশোরাঞ্চলের পোল্ট্রি শিল্পে মৌলভীবাজার,নবদিগন্ত সমাজ কল্যাণ সংঘের উদ্যোগে গোরারাই বাজারে জিবাণু নাশক স্প্রে ছিটানো হয় করোনা! গোয়াইনঘাটের বর্তমান পরিস্থিতি কী?জানালেন চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ

করোনাভাইরাস- মোবাইল ব্যাংকিংয়ে এক হাজার টাকা ক্যাশ আউট ফ্রি

Spread the love

হাফেজ মাওলানা মুফতি মোঃ রেজাউল করিম সিরাজী,নিজস্ব সংবাদদাতাঃ

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে নিরবচ্ছিন্ন ব্যাংকিং ও পরিশোধ সেবা অব্যাহত রাখার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।গত ১৯ মার্চ ২০২০ ইং তারিখ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে সব তফসিলি ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়েছে।এতে বলা হয়েছে, শুধু নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ও ঔষুধ ক্রয়ের ক্ষেত্রে এমএফএসের ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি (পি-টু-পি) লেনদেনে (যে কোনো চ্যানেলে) কোনো চার্জ কাটা যাবে না এবং এ লেনদেনের সর্বোচ্চ মাসিক সীমা ৭৫ হাজার টাকা থেকে ২ লাখ টাকায় উন্নীত করা যাচ্ছে।এমএফএস লেনদেনের ক্ষেত্রে দিনে সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকার ক্যাশ আউট সম্পূর্ণ চার্জবিহীন রাখতে হবে।দেশের অভ্যন্তরে শুধু নিত্যপ্রয়ো জনীয় দ্রব্য ও ঔষুধ ক্রয়ের ক্ষেত্রে ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে লেনদেনের ক্ষেত্রে কোনো ছাড় বা বিনিময় ফেরত পাওয়া যাবে না।এ ক্ষেত্রে দৈনিক সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকা ও মাসিক সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকার লেনদেন সীমা প্রযোজ্য হবে।একই দিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আরেকটি প্রজ্ঞাপনে করোনা পরিস্থিতিতে ঋণগ্রহীতাদের বিশেষ সুবিধা দেয়ার কথা বলা হয়েছে।কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে- আগামী জুন পর্যন্ত কোনো ঋণগ্রহীতা ঋণ শোধ না করলেও ঋণের শ্রেণিমানে কোনো পরিবর্তন আনা যাবে না।গত ১৯ মার্চ ২০২০ ইং তারিখ বৃহস্পতিবার দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে এ নির্দেশ দিয়ে এক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।ফলে বর্তমানে কোনো ঋণগ্রহীতা যদি ৩০ জুন পর্যন্ত কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হন, তা হলে তাকে খেলাপি করা যাবে না। তবে যদি কোনো খেলাপি ঋণগ্রহীতা এই সময়ের মধ্যে ঋণ শোধ করেন, তাকে নিয় মিত ঋণগ্রহীতা হিসেবে চিহ্নিত করা যাবে।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, করোসাভাইরাসের কারণে ব্যবসাবাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, ‘সম্প্রতি করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্ববাণিজ্যের পাশাপাশি বাংলাদেশের ব্যবসাবাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। আমদানি-রফতানিসহ দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে করোনাভাইরাসের কারণে বিরূপ প্রভাব পড়েছে।ফলে অনেক ঋণগ্রহীতাই সময়মতো ঋণের অর্থ পরিশোধে সক্ষম হবেন না বলে ধারণা করা যাচ্ছে।এতে চলমান ব্যবসাবাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার এবং দেশে সামগ্রিক কর্মসংস্থান বাধাগ্রস্ত হবে— এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে এ বছরের ১ জানুয়ারিতে ঋণের শ্রেণিমান যা ছিল, আগামী ৩০ জুন ২০২০ পর্যন্ত ওই মানেই রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।এর চেয়ে বিরূপ মানে শ্রেণি করণ করা যাবে না।ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৯ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতা বলে এ নির্দেশনা জারি করার কথা জানানো হয় প্রজ্ঞাপনে।এ নির্দেশনা অনতিবিলম্বে কার্যকর করা হবে।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/২২ মার্চ ২০২০/ইকবাল

 

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ