March 30, 2020, 4:30 am

শিরোনাম :
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জনসচেতনতায় রাজশাহীর তানোরে পৌর মেয়র মিজানের ভিন্ন উদ্যোগ হাতজোড় করে ক্ষমা চাওয়া সেই বৃদ্ধকে পাকা বাড়ি করে দেবার প্রতিশ্রুতি দিলেন রাজশাহীর ডিসি হামিদুল হক করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জনসচেতনতায় রাজশাহীর তানোরে পৌর মেয়র মিজানের ভিন্ন উদ্যোগ হাতজোড় করে ক্ষমা চাওয়া সেই বৃদ্ধকে পাকা বাড়ি করে দেবার প্রতিশ্রুতি দিলেন রাজশাহীর ডিসি হামিদুল হক গোয়াইনঘাটে বাড়িয়ে বাড়িয়ে গিয়ে চাউল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণে ভাইস চেয়ারম্যান কয়েছ বগুড়া সদরের বারপুর দিনমজুরদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কেশবপুরে হতদরিদ্র ৬শত পরিবারের মাঝে মাস্ক, সাবান ও লিফলেট বিতরণ করোনার ভয়াবহ প্রভাব যশোরাঞ্চলের পোল্ট্রি শিল্পে মৌলভীবাজার,নবদিগন্ত সমাজ কল্যাণ সংঘের উদ্যোগে গোরারাই বাজারে জিবাণু নাশক স্প্রে ছিটানো হয় করোনা! গোয়াইনঘাটের বর্তমান পরিস্থিতি কী?জানালেন চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ

করোনাভাইরাস মোকাবেলায় ‘দারুণ’ কাজ করছে শহীদ আফ্রিদি ফাউন্ডেশন

Spread the love

ডিটেকটিভ আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

যে কোনো সংকটময় পরিস্থিতিতে মানুষের পাশে এসে দাঁড়াতে দেখা গেছে সাবেক পাক অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদিকে।অসহায় মানুষের গড়ে তুলেছেন শহীদ আফ্রিদি ফাউন্ডেশন।সেই সংস্থা থেকেই আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দেন এ লেগ স্পিনিং অলরাউন্ডার।তেমনটাই দেখা গেল এবারও।চলমান করোনাভাইরাস পরিস্থি তিতে এগিয়ে এলো শহীদ আফ্রিদির ফাউন্ডেশন। সাধারণ মানুষের মধ্যে জন সচেত নতা সৃষ্টি ছাড়াও পাকিস্তানে করোনা পরিস্থিতিতে সৃষ্ট সংকট মোকাবেলায় জরুরি জিনিসপত্রও সরবরাহ করছে আফ্রিদি ফাউন্ডেশন।শুধ তাই নয় দেশটিতে করোনা রোগীদের সেবায় আইসোলেশন ওয়ার্ড তৈরি করেছে আফ্রিদির এই সংস্থা।নিজের ফাউন্ডেশন থেকে দুস্থ-অসহায়দের সেবার বিষয়ে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট দিয়ে ছেন আফ্রিদি। সেখানে নিজের ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম চালানোর বেশ কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেছেন।এরপর আফ্রিদি লিখেছেন, ‘মহামারী কোভিড-১৯ এর কারণে চলমান সংকটে আমাদের সবার দায়িত্ব একে অপরকে সাহায্য করা এবং অসহায়দের নিয়ে ভাবা।সচেতনতা সৃষ্টি, সতর্কতামূলক তথ্য দেয়ার মাধ্যমে কোভিড-১৯’র বিরুদ্ধে লড়াই করতে আমি আমার কাজ করে যাচ্ছি।তিনি আরো লেখেন, ‘শহীদ আফ্রিদি ফাউন্ডেশন এখন স্বাস্থ্যবিষয়ক মিশনে নেমেছে।এরই মধ্যে পাকিস্তানের অনেক স্থানে হ্যান্ড স্যানিটাইজার স্থাপন করেছি আমরা।জনগণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নানা নির্দেশনা দিচ্ছে আমার ফাউন্ডেশন।করোনাভাইরাসের উপসর্গ বা সন্দেহভাজনদের রাখার জন্য একটি আইসোলেশন ওয়ার্ডও খোলা হয়েছে।আমাদের ফাউন্ডেশন ‘নটআউট থাকার আশা’ মিশনটি চালিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে খাবার জোগাতে অক্ষম প্রত্যেককে প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যাদি দিয়েছি।যাতে করে এই সংকটময় সময় টিতে তারা টিকে থাকতে পারে।আমি সবাইকে অনুরোধ করছি নিজেদের যত্ন নিন এবং বাড়িতেই নিরাপদ থাকুন।প্রসঙ্গত, বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস ছাড় দেয়নি পাকিস্তানকেও। এখনও পর্যন্ত পা্ওয়া খবরে পাকিস্তানে করোনা রোগীর সংখ্যা ৬৪৫ জন। এর মধ্যে মারা গিয়েছেন ৩ জন, আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন আরও ৭ জন।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/২২ মার্চ ২০২০/ইকবাল

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ