October 9, 2019, 12:04 pm

কমপক্ষে দুই শতাধিক গ্রামের লোকজন পানিবন্দী তাহিরপুরে পানিবন্ধী পরিবারের লোকজনের মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ

Spread the love

হাবিব সরোয়ার আজাদ,সিলেট:

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের পানিবন্দী পরিবারের লোকজনের মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়।উপজেলার বড়দল উওর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান গত বুধবার দুপুর থেকে মধ্যরাত অবধি পঁচিশ গ্রামের লোকজনের মধ্যে বাড়িবাড়ি গিয়ে নৌকা যোগে এসব শুকনো খাবার বিতরণ করেন।উল্ল্যেখ যে, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা পাঁচদিনের প্রবল বৃষ্টিপাতের কারনে সীমান্তনদী এবং পাহাড়িছড়া ভেদ করে ঢলে পানি ডুকে পানিবন্ধী করে ফেলে উপজেলার উজান ও নিম্নাঞ্চলের গ্রামীণ জনপদগুলোকে।যে কারনে গ্রামীণ হাট বাজারগুলোতে বুধবার সকাল থেকে প্রায় ৩ ফুট সমপরিমাণ ঢলের পানি প্রবেশ করায় দোকানপাঠ বন্ধ করে দেন ব্যবসায়ীরা।অপরদিকে বিভিন্ন গ্রামীণ বসতিতে ঢলের পানি ডুকে পড়ায় কোন কোন পরিবারে সকাল থেকে রাত অবধি চুলো জ্বালানো সম্ভব হয়নি। ফলে পানিবন্ধী পরিবারগুলোতে দেখা দেয় শুকনো খাবারের তীব্র সংকট।এ অবস্থায় উপজেলার বড়দল উওর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম তার ব্যাক্তিগত তহবিল থেকে লক্ষাধিক টাকার শুকনো খাবার ক্রয় করে নিজ ইউনিয়নের বোরখাড়া, কাশতাল, চরগাঁও, আমবাড়ি, রাশেশ্বরপুর, ফকিরনগর, পুরানঘাট, ব্রাম্মণগাঁও, কড়ইগড়া, রাজাই, আমতৈল সহ পচিশ গ্রামের পানিবন্দী পরিবারের লোকজনের মধ্যে শুকনো খাবার হিসাবে চিড়া, মুড়ি, গুড়,পাউরুটি, কেক, টোষ্ট, খাবার স্যালাইন বিতরণ করেন।এদিকে উপজেলা সদর, বাদাঘাট উওর, শ্রীপুর উওর, শ্রীপুর দক্ষিণ, বড়দল দক্ষিণ,বালিজুরি মডেল ইউনিয়ন সহ সাত ইউনিয়নের কমপক্ষে দুই শতাধিক গ্রামে পাহাড়ি ঢলের পানি প্রবেশ করায় এসব গ্রামের অধিকাংশ পরিবারে বুধবার সকাল থেকে রাত অবধি চুলো জ্বালানো সম্ভব হয়নি বলে ভোক্তভোগী পানিবন্দী পরিবারের লোকজন জানিয়েছেন।যে কারনে ওইসব গ্রামীণ জনপদে পানিবন্দী পরিবারগুলোতে শুকনো খাবারের সংকট দেখা দিয়েছে।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/১১জুলাই ২০১৯/ইকবাল

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ