June 16, 2019, 6:12 pm

কংগ্রেস সভাপতি পদে রাহুলের স্থলাভিষিক্ত হতে চান আসলাম

Spread the love

কংগ্রেস সভাপতি পদে রাহুলের স্থলাভিষিক্ত হতে চান আসলাম

ডিটেকটিভ আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভারতের বিরোধী দল কংগ্রেসের সভাপতি পদে রাহুল গান্ধীর স্থলাভিষিক্ত হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন সাবেক অলিম্পিয়ান ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আসলাম শের খান। গত শুক্রবার।  রাহুলের কাছে চিঠি দিয়ে এ ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন তিনি। বলেছেন, দুই বছরের জন্য তিনি কংগ্রেস সভাপতি হতে চান। আসলামের দাবি, ব্যক্তিগত নয়, দলীয় স্বার্থে এ প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।

ভারতের লোকসভা নির্বাচনে দলের শোচনীয় পরাজয়ের পর সভাপতির পদ ছাড়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তাকে একাধিকবার বোঝানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা। রাহুল বলে আসছেন, নেহেরু-গান্ধী পরিবারের বাইরে থেকে কেউ কংগ্রেসের হাল ধরুক, সেটাই তিনি চান। কংগ্রেস সভাপতি পদে অন্য কাউকে বেছে নেওয়ার জন্য দলের নেতাদের অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। তবে তাতে রাজি নন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা। দলকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য রাহুলকে দায়িত্ব দিয়ে একটি প্রস্তাবও পাস করেছেন তারা। এই পরিস্থিতিতে হঠাৎ শোরগোল ফেলে দিয়েছেন ভারতের প্রাক্তন অলিম্পিয়ান ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আসলাম শের খান। কংগ্রেসের সভাপতি হতে চেয়ে এরইমধ্যে রাহুলকে চিঠি পাঠিয়ে দিয়েছেন তিনি।

বার্তা সংস্থা এএনআইকে আসলাম বলেন, ‘রাহুল গান্ধী কংগ্রেস সভাপতি হিসেবে পদত্যাগের প্রস্তাব দেওয়ায় এবং নেহেরু-গান্ধী পরিবারের বাইরের কাউকে তার স্থলাভিষিক্ত করার প্রস্তাব দেওয়ার পর আমি চিঠিটি লিখেছি। চিঠিতে উল্লেখ করেছি যে রাহুল যদি পদে বহাল থাকতে চান, তবে তা তিনি ভালোভাবেই করতে পারবেন। তবে তিনি যদি তা না চান, তাহলে আমি দুই বছরের জন্য সে দায়িত্ব নিতে চাই।’

আসলাম খান অবশ্য বলছেন, নির্বাচনে পরাজয়ের জন্য তিনি রাহুলকে দায়ী মনে করেন না। রাহুল চেষ্টার কোনও ত্রুটি রাখেননি। তবে কংগ্রেস জনগণের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করতে পারেনি বলে মনে করেন তিনি। আর তাই জনগণ আবারও মোদিকে ভোট দিয়েছে। আসলাম মনে করেন, তার চেয়ে যোগ্য কোনও প্রার্থী থাকলে তাকেও কংগ্রেস সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে।

১৯৭৫ সালে কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত হকি বিশ্বকাপে সোনা জয়ী দলের সদস্য আসলাম, এর আগে একাধিকবার বিতর্ক তৈরি করেছেন। নিজের দলের নেতাদের বিরুদ্ধেই মুখ খুলে দলের রোষের মুখেও পড়েছিলেন তিনি। একসময় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও ছিলেন। কিন্তু, মধ্যপ্রদেশ কংগ্রেসের সঙ্গে গোলযোগের জেরে তাকে দল থেকে ইস্তফা দিতে হয়।

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ