August 21, 2019, 10:22 pm

শিরোনাম :
মানুষের কল্যাণে কাজ করতে গিয়ে বারবার মৃত্যুর সম্মুখীন হয়েছি: প্রধানমন্ত্রী গ্রেনেড হামলার দায় খালেদা জিয়া এড়াতে পারেন না: তথ্যমন্ত্রী জন্মাষ্টমী ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা পরিকল্পনা ডিএমপি’র একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা উচ্চ আদালতে তারেকের সর্বোচ্চ সাজার আবেদন করা হবে: ওবায়দুল কাদের চট্টগ্রামে কাভার্ড ভ্যান থেকে ৫০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ৩ গ্রেনেড হামলা মামলার আপিল শুনানি ২-৪ মাসের মধ্যে: আইনমন্ত্রী গ্রেনেড হামলায় জড়িতদের বিচারে উদ্যোগ নেবে সরকার: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী গ্রেনেড হামলার সুষ্ঠু তদন্ত হয়নি, জোর করে তারেকের নাম বলানো হয়েছে: রিজভী ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা কমলেও আতঙ্ক কমছে না

ওজন নিয়ে ডিপ্রেশনে ছিলেন সমীরা!

Spread the love

ওজন নিয়ে ডিপ্রেশনে ছিলেন সমীরা!

ডিটেকটিভ বিনোদন ডেস্ক

প্রথম সন্তান হান্সের পর দ্বিতীয়বার মা হতে চলেছেন বলিউডের সেক্সসিম্বল অভিনেত্রী সামীরা  রেড্ডি। স¤প্রতি, অভিনেত্রী ইনস্টাগ্রামে বেবিবাম্পের ছবি পোস্ট করেছেন। নেটদুনিয়ায় এই সুখবর দেওয়ার পাশাপাশি সমীরা শেয়ার করলেন তার প্রথম প্রেগনেন্সি পরবর্তী অভিজ্ঞতা।  সে সময় নাকি অভিনেত্রীর শরীরে এতটাই গত্তি লেগে গিয়েছিল যে মারাত্মক মোটা দেখাচ্ছিল তাকে। প্রকাশ্যে এসেছে সমীরার সেই সময়ের ছবিও। একসময়ে অভিনেত্রী তার শরীরী হিল্লোলে দর্শকদের ঘুম কেড়েছিলেন। সেই অভিনেত্রীর এহেন চেহারা দেখে অবাক হয়েছেন  নেটদুনিয়ার অনেকেই। কিন্তু কীভাবে হল এই অবস্থা? সমীরা বলেন, বিয়ের মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই গর্ভবতী হয়েছিলাম। ভেবেছিলাম সন্তান জন্মানোর পরই ফিরব কাজে।

কিন্তু হান্স ভ‚মিষ্ঠ হওয়ার পর ডাক্তার আমাকে বিশ্রামের পরমর্শ দিয়েছিলেন।

কোনওরকম শারীরিক কসরত না হওয়ার ফলে ওজন বেড়ে হয়েছিল ১০২ কেজি। গø্যামার ইন্ডাস্ট্রির তথাকথিত লাইফস্টাইল  মেনে সম্ভব হয়নি তখন। অভিনেত্রী জানান, লাইমলাইটে থাকার সমস্যা হল দর্শক সব সময়ে নায়িকাদের পারফেক্ট ফিগারে দেখতে পছন্দ করেন। ব্যক্তি জীবনে যাই পরিবর্তন হোক না কেন, তা নিয়ে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানো যাবে না। একসময়ে আমাকে  সেক্সি স্যাম বলে ডাকা হত। কিন্তু ছেলে হওয়ার আগে আমি বাড়ি থেকে বের হলেও লোকে আমাকে চিনতে পারত না। তারপরেও যখন আমার ওজন বেড়ে গিয়েছিল। তখনও সবাই বলত, এটা কী সামীরা? আত্মবিশ্বাস এতটাই কমে গিয়েছিল যে পুরোপুরি ডিপ্রেশনে চলে গিয়েছিলাম আমি। বাড়ি থেকে বেরোতে ভয় পেতাম। এরপর ওজন কমাতে থেরাপির সাহায্য নিয়েছি। শরীরের মেদ কমিয়ে পারফেক্ট ফিগার তৈরি করতে প্রায় ২ বছর লেগেছে। এখন আমার ফিগার আগের মতোই। আগের রুপে ফিরতে সময় লাগলেও আমি অনেক আনন্দিত।

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ