August 8, 2020, 4:32 am

শিরোনাম :
কাপুর পরিবারের হওয়ায় সুবিধাও পেয়েছি- অভিনেত্রী কারিনা কাপুর ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের কারণে স্থগিত ভারত-ইংল্যান্ড সিরিজ চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার ভারত আট রুটে পণ্য পরিবহন করতে চায় ভারতের ২ রাজ্য ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ফজিলাতুননেছা মুজিব ছিলেন বঙ্গবন্ধুর বিশ্বস্ত সহচর – প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নবীগঞ্জে মেয়র ছাবির আহমদ ও তার স্ত্রীর করোনা মুক্তিতে ছাত্রদল নেতার উদ্দ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বকশিগ‌ঞ্জে ৪৩ হাজার ৩৫০ টাকাসহ ৮ জুয়ারী গ্রেফতার শাঁখারী বাজারে চোলাই মদসহ কারবারি রুপী রানী আটক কামরাঙ্গীরচরে ইয়াবাসহ কারবারি ইব্রাহীম ও শাহীন গ্রেফতার বঙ্গমাতারজন্মদিনে দুঃস্থদের হুইল চেয়ার দিলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী

এবারে ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত চিলমারীবাসী

Spread the love

মোঃ হাবিবুর রহমান,চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ

সারা দেশে আনন্দ উদ্দীপনার মধ্যে পালিত হতে যাচ্ছে পবিত্র ঈদুল আযহা। কিন্তু ঈদের আনন্দের ছোঁয়া নেই কুড়িগ্রামের চিলমারী বাসীদের চোখে-মুখে। পবিত্র ঈদ-উল আযহা উপলক্ষ্যে বৃত্তবানদের কোরবানি দেখে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকা ছাড়া আর কিছু করার নেই চিলমারীর অভাবী মানুষের। ৩য় দফায় বন্যার পানি বৃদ্ধি পেলেও এখন তা কমতে শুরু করেছে। কিন্তু বেড়েই চলেছে জনগণের ভোগান্তি আর ভোগান্তি । এখন পর্যন্ত উপজেলা সদর, চিলমারী মডেল থানা, হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিস, সখের হাট থেকে  কাচকোল বাজার যাওয়ার রাস্তাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে রয়েছে পানিবন্দী হাজার হাজার পরিবার। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং গুড়ি গুড়ি বৃষ্টিতে পুরো চিলমারী পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে প্রায় দেড় লক্ষাধিক মানুষ। চিলমারী উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের বেশির ভাগ গ্রামের মানুষের জীবন থেকে হারিয়ে যাচ্ছে  এবারের ঈদের আনন্দ। বন্যায় পাল্টে গেছে অনেক গ্রামের দৃশ্যাবলী। তৃতীয় দফা বন্যার কারণে ক্ষয়-ক্ষতির শিকার হয়েছেন,চিলমারী উপজেলার হাজার হাজার সাধারণ মানুষ। ঠিক মতো পেট ভরে দু বেলা খাবারও খেতে পাচ্ছে না বানভাসি মানুষেরা। এরই মাঝে আবার যোগ হয়েছে কোরবানির ঈদ। আগামী শনিবার উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সারা দেশের মানুষ পালন করবে পবিত্র ঈদুল আযহা। কিন্তু এবারের ঈদ বানভাসি পরিবারগুলোর জন্য অনেকটা দুঃখ ও কষ্টের। ঈদের আমেজ নেই এই পরিবারগুলোর মানুষের মাঝে। এখনও এলাকা থেকে নামেনি বন্যার পানি। বেড়েছে  বানভাসি মানুষের দুর্ভোগ। এখনও ফসলের ক্ষেত ডুবে আছে। ঘরেও কোন খাবার নেই। নেই পর্যাপ্ত পরিমাণ  ত্রাণ। সরেজমিনে গিয়ে বন্যায় পানিবন্দি মানুষের সঙ্গে কথা  হলে, জানান  তাদের জীবন-যুদ্ধের করুণ কাহিনী। বেঁচে থাকার তাগিয়ে যে যা কাজ পাচ্ছে তাই করে কোনো রকম জীবিকা অর্জন করছে। আর ও বলেন-  ঈদের কেনা- কাটা কি আর করব।   দু’বেলা ভাল করে দু মুঠো ভাতই  পেটে জোটে না। সেখানে ঈদের আনন্দ করার চিন্তা মাথায় আনবো কি করে। ঈদকে সামনে রেখে মানুষ যখন আনন্দ নিয়ে ব্যস্ত, তখন আমাদের লড়তে হচ্ছে জিবন যুদ্ধে বন্যার সাথে। সামনের দিনগুলো কি ভাবে চলবো সেই চিন্তায় (রাতে) ঘুম আসে না। এবারের  বন্যা আমাদের কে এ বারেই  সর্বস্বান্ত করে দিয়েছে।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/৩০ জুলাই ২০২০/ইকবাল

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ