August 12, 2019, 3:30 pm

শিরোনাম :
পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ঈদ জামাত ঘিরে ডিএমপির রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ ঈদের প্রধান জামাতে নামাজ আদায় করেন ঈদের দুইটি জামাত বায়তুল মোকাররমে অনুষ্ঠিত টুং টাং শব্দে মুখর ইসলামপুরের কামার পল্লী দিনাজপুরের বিরামপুরে শিক্ষকদের অবহেলায় অসুস্থ্য শিক্ষার্থী আজিমের মৃত্যুর ঘটনায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ ঈদ-উল-আযহার শুভেচ্ছা জানালেন ছাত্রলীগ নেতা ইয়াসিন আল অনিক সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মুখে ফুঠে উঠুক‘হাসির ঝিলিক’ নতুন পোষাক পেল জামালগঞ্জের শিশুরাও দেশবাসী কে পবাসি কল্যাণ মন্ত্রী ইমরান আহমদের ঈদের শুভেচ্ছা বগুড়ায় বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ৫ সুন্দরগঞ্জে ২ ব্যবসায়ীকে মারপিট: ছিনতাই

আলফাডাঙ্গায় সিএইচসিপি’র বিরুদ্ধে কর্মফাঁকিসহ নিয়মিত কমিউনিটি ক্লিনিক না খোলার অভিযোগ

Spread the love

আলফাডাঙ্গা( ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় গোপালপুর ইউনিয়নে অবস্থিত বাজড়া এক নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরত কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রভাইডার (সিএইচসিপি) আমেনা বেগমের বিরুদ্ধে কর্মফাঁকিসহ নিয়মিত কার্যালয়টি না খোলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর ফলে ওই কমিউিনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা সর্বস্তরের ব্যাক্তিবর্গকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। জানা যায় এ কমিউনিটি ক্লিনিকের আওতায় গোপালপুর ইউনিয়নে বাজড়া, কুলধর ও গোপালপুর তিনটি গ্রাম রয়েছে। ওই তিনটি গ্রামের আনুমানিক লোক সংখ্যা ছয় হাজার । ওই তিন গ্রামের লোকজন প্রথম চিকিৎসা সেবা নিতে এ ক্লিনিকে ছুটে আসেন।এলাকাবাসী কাছে জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অসহায় রোগীদের দ্রুত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলি সৃষ্টি করেছেন। কিন্তু ওই ক্লিনিকে কর্মরত সিএইচসিপি’র দায়িত্ব ও কর্তব্য অবহেলার কারনে সে সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ওই তিনটি গ্রামের জনগণ।গত বৃহস্পতিবার ওই এলাকার বাসিন্দা বাজড়া গ্রামের নাইম শেখ (৩৬) বলেন, এ ক্লিনিকটি প্রায় বন্ধ পাওয়া যায়। মাঝে মধ্যে খোলা থাকলেও সিএইচসিপি’কে পাশের বাড়ি থেকে ডেকে আনতে হয়।আরেক রোগি বাজড়া গ্রামের ছালেহা বেগম (৩৯) বলেন, বেশি ভাগ সময় ক্লিনিকটি বন্ধ থাকে, অনেকদিন আমাদের এসে ফিরে যেতে হয়। তিনি বলেন, যে দিন ক্লিনিকটি খোলা হয় অনেক দেরি করে খোলা হয়। ওষুধও ঠিকমতো পাওয়া যায় না।ওই ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে আসা অপর দুই রোগী ইমদাদ মোল্লা (২৯) ও বাজারা সৈয়দ নুরু মিয়া (২৭) বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিকটি মাঝে মধ্যেই বন্ধ পাওয়া যায়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গোপালপুর ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও ওই ক্লিনিকের সভাপতি মো. ওবায়দুর রহমান (৪৩) বলেন, সিএইচসিপি আমেনা বেগমের কাজে ফাঁকি দেওয়া অনেকটা অভ্যাসে পরিনত। তিনি আরো বলেন, প্রতিদিন রোগীরা এ ক্লিনিকে এসে ভোগান্তির শিকার হয়ে ফিরে যায় বলে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে সিএইচসিপি আমেনা বেগম বলেন, আমার এক মেয়ে ঢাকায় থাকে তাকে মাঝে মধ্যে দেখতে যেতে হয়। এছাড়া তিন বছরের একটি ছোট বাচ্চা রয়েছে, তাকে খাওয়ানোর জন্য ক্লিনিকের পাশের বাড়িতে যেতে হয়।উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. রেজাউল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ আমি জেনেছি। এ ব্যাপারে সিএইচসিপি আমেনা বেগমকে সতর্ক করা হয়েছে।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/৭জুলাই ২০১৯/ইকবাল

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ