October 18, 2019, 11:36 am

শিরোনাম :
সাহেবগঞ্জ ইক্ষু খামার এলাকায় সাঁওতাল ও বাঙ্গালীর বিক্ষোভ সমাবেশ কেশবপুরে বিদ্যুৎস্পৃৃষ্টে বিড়ল প্রজাতির ২টি কালোমুখো হনুমানের মৃত্যু জানাযা শেষে রাজশাহীর তানোর পৌর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে সাংবাদিক রুহুল আমীন খন্দকারের মাতার দাফন সম্পুর্ণ অস্ত্রসহ ৭ মামলার আসামি শুটার লিটন ও তার সহযোগী লারা গ্রেফতার অস্ত্রসহ ৭ মামলার আসামি শুটার লিটন ও তার সহযোগী লারা গ্রেফতার বড় ভাই সেজে ঘুষখোর ভূমি কর্মকর্তাকে ধরলেন সাতক্ষীরার ডিসি মোস্তফা কামাল প্রভাবশালী নারীর তালিকায় রোহিঙ্গা জেসমিন-কাশ্মিরি পারভীনা পাঁচ স্ত্রী চালাতে ৫০ নারীর সঙ্গে প্রতারণা রাজশাহীতে বিজিবির গুলিতে বিএসএফ নিহত ফল-সবজির খোসা ব্যবহারের পদ্ধতি
জাতীয় সংসদে বক্তব্য দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা।

আমরা প্রতিহিংসায় বিশ্বাসী হলে বিএনপির অস্তিত্ব থাকত না – প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা

Spread the love

মোহাম্মদ ইকবাল হাসান সরকারঃ

জাতীয় সংসদে বক্তব্য দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয়। আমরা যদি তাই বিশ্বাস করতাম তাহলে এ দেশে বিএনপির অস্তিত্ব থাকত না।প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা  আরও বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠানকে অকার্যকর করার জন্য নয়, সব প্রতিষ্ঠানকে আরও সক্রিয় রাখার জন্য আমি সদা-সর্বদা সচেষ্ট থাকি। তা না হলে সংসদ সদস্যের নেত্রী খালেদা জিয়ার মতো বারোটা পর্যন্ত ঘুমিয়ে কাটালে কি প্রশ্ন করে খুশি হতেন? গত বুধবার জাতীয় সংসদে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘মাননীয়  প্রধানমন্ত্রী  অনুগ্রহ করে বলবেন কী, দেশে বর্তমানে মানুষ হত্যা হতে মশা মারা পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা প্রয়োজন হয়, যাহা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ভাঙ্গিয়া পড়া, অকার্যকর হওয়ার ইঙ্গিত বহন করে। প্রাতিষ্ঠানিক সফলতা একটি কার্যকর রাষ্ট্রের পূর্বশর্ত। এই অকার্যকর প্রতিষ্ঠানগুলো কি রাষ্ট্রপরিচালনায় সরকারের সার্বিক ব্যর্থতা চিত্র তুলে ধরে না?’জবাবে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা  বলেন, ‘সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী সরকার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সরকার প্রধানের দায়িত্ব হলো- সব মন্ত্রণালয়ের কাজের সমন্বয় করা। মন্ত্রীদের কাজের তদারকি করা। জনগণ প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব দিয়েছেন তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য। আরাম-আয়েশের জন্য আমি প্রধানমন্ত্রিত্ব গ্রহণ করিনি। আমি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা। যিনি তার জীবনটায় উৎসর্গ করেছিলেন এই দেশের মানুষের কল্যাণের জন্য। তার কন্যা হিসেবে জনগণের প্রতি আমার দায়বদ্ধতা একটা আলাদা জায়গা রয়েছে। আমি সেটাই প্রতিপালনের চেষ্টা করি। সে জন্যই দিনরাত পরিশ্রম করি। কোনো প্রতিষ্ঠানকে অকার্যকর করার জন্য নয়, সব প্রতিষ্ঠানকে আরও সক্রিয় রাখার জন্য আমি সদা-সর্বদা সচেষ্ট থাকি’।তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার নিরলস প্রচেষ্টা এবং আমাদের জনগণের অক্লান্ত পরিশ্রমে আজকে বাংলাদেশ বিশ্বে একটা মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আর্থসামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশ বিশ্বের রোল মডেল। দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। জিডিপির প্রবৃদ্ধি জায়গা দখল করেছে। এসব আপনা-আপনি হয়নি। সব পরিশ্রমে হয়েছে। প্রতিষ্ঠান অকার্যকর থাকলে এসব অর্জন সম্ভব হত না। কারণ রাষ্ট্র একটি যন্ত্রের মতো- এই যন্ত্রের বিভিন্ন কলকব্জা যখন সমন্বিতভাবে কাজ করে, তখন রাষ্ট্র ভালো থাকে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। কারণ, রাষ্ট্রযন্ত্র ভালোভাবে কাজ করছে। তা না হলে সংসদ সদস্যের নেত্রী খালেদা জিয়ার মতো বারোটা পর্যন্ত ঘুমিয়ে কাটালে কি উনি খুশি হতেন?

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯/ইকবাল

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ