December 7, 2019, 4:20 pm

শিরোনাম :
বাগাতিপাড়ায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ বগুড়া সদরের গোকুল মানব কল্যান সংস্থার উদ্যোগে তাফসিরুল কোরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত দেশে চালের দাম বাড়ায় আমরা খুশি-কৃষিমন্ত্রী ড.মো:আব্দুর রাজ্জাক এমপি বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে রাজধানীতে মশাল মিছিল সুন্দরগঞ্জে সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার কেশবপুরে পরিবার কল্যাণ সেবা ও প্রচার সপ্তাহের উদ্বোধন বিদেশ গমণ উপলক্ষে ছাত্রনেতা কাওছার আমিনকে ছাত্র জমিয়তের বিদায়ী সংবর্ধনা শত্রুতার জেরে শৈলকুপায় ৩ শতাধিক ধরন্ত কলার কাধি কর্তন আগামী ৯ ডিসেম্বর ২০১৯ রোজ সোমবার যতাযত মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে পালিত হবে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ও ফাতেহা ইয়াজদাহুম উপলক্ষে জিকির ও নাত মাহফিল তাহিরপুরের রঘুনাথপুর গ্রামে গীতা জয়ন্তী ও হরিনাম সংকীর্ত্তণ শুরু ৮ ডিসেম্বর

আজ বাঙালি জাতির শোকের দিন

Spread the love

আজ বাঙালি জাতির শোকের দিন

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

আজ বৃহস্পতিবার শোকাবহ ১৫ আগস্ট, জাতীয় শোক দিবস। বাঙালি জাতির শোকের দিন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতে সংঘটিত হয়েছিল ইতিহাসের এক কলঙ্কিত অধ্যায়। ৪৪ বছর আগে এই দিনে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করেছিল চক্রান্তকারী কিছু সেনাসদস্য। ঘাতকেরা নারী এবং শিশুদেরও রেহাই দেয়নি। আজ যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মাধ্যমে জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধুর ৪০তম শাহাদতবার্ষিকী পালনের জন্য সরকারি ও বেসরকারিভাবে নানা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আলাদা বাণী দিয়েছেন। আজ সরকারি ছুটি। সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি ভবনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোতেও জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে এবং আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে।

সে রাতে যাঁদের হত্যা করা হয়েছিল: বঙ্গবন্ধু ছাড়াও ১৫ আগস্ট রাতে তাঁর ধানমন্ডির বাড়িতে তাঁর সহধর্মিণী শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব, তিন ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশুপুত্র শেখ রাসেল, পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল, বঙ্গবন্ধুর একমাত্র ভাই শেখ আবু নাসের, বঙ্গবন্ধুর ফোন পেয়ে তাঁর জীবন বাঁচাতে ছুটে আসা কর্নেল জামিল, এসবির কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান, সেনাসদস্য সৈয়দ মাহবুবুল হককে হত্যা করা হয়। বঙ্গবন্ধুর ভাগনে যুবলীগ নেতা শেখ ফজলুল হক মণির বাসায় হামলা চালিয়ে তাঁকে, তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মণি, বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাতের বাসায় হামলা করে তাঁকে ও তাঁর কন্যা বেবী, পুত্র আরিফ সেরনিয়াবাত, নাতি সুকান্ত বাবু, সেরনিয়াবাতের বড় ভাইয়ের ছেলে সজীব সেরনিয়াবাত এবং এক আত্মীয় রেন্টু খানকে হত্যা করা হয়। বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবার এবং নিকটাত্মীয়সহ মোট ২৬ জনকে ওই রাতে হত্যা করা হয়। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা সে সময় তৎকালীন পশ্চিম জার্মানিতে অবস্থান করায় তাঁরা বেঁচে যান।

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ