July 20, 2019, 10:44 pm

শিরোনাম :
র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাদক বিরোধী আভিযান; ২০ জনকে জেল-জরিমানা র‌্যাব-৫ এর অভিযানে হ্যাকার ও ব্যাকম্যাইলার ১জন আটক নিভে যাচ্ছে সাদিয়ার জীবন প্রদীপ টাকার অভাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে প্রিয়া সাহাকে আইনি প্রক্রিয়ায় আনতে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে গৃহবধূকে এসিড নিক্ষেপ করেছে দুর্বূত্তরা এসবিসির বকেয়া পরিশোধে নন-লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানিগুলোর গড়িমসি বিএনপি রাস্তায় নেমেছে : দুদু হোয়াইট হাউজে প্রিয়া সাহার বক্তব্য তার নিজস্ব: রানা দাশগুপ্ত পল্লীবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে বন্যা দুর্গতদের পাশে থাকব : জি এম কাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি : প্রিয়া সাহার উদ্দেশ্য প্রণোদিত অভিযোগ রাষ্ট্রের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ
প্রতিকি ছবি

আঃ লীগের বর্ধিত সভায় পীরগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান লাঞ্চিত হওয়ায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা

Spread the love

মোস্তফা মিয়া,পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি ঃ

প্রতিকি ছবি

পীরগঞ্জে ১৫নং কাবিলপুর ইউনিয়নে ৮নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর কে কেন্দ্র করে এক বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কে লাঞ্চিত করায় লালদিঘী মেলা ও কাবিলপুর নতুন বাজারে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এলাকাবাসী ও প্রর্ত্যক্ষ দর্শী বিবরণে জানা যায় যে, গত ৫ জুলাই সকাল ১০ ঘটিকায় টুকনীপাড়া সরকারী প্রথমিক বিদ্যালয় মাঠে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৮নং ওয়ার্ডে বর্দ্ধীত সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মী সহ ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম। সভার মাঝে চেয়ারম্যান উক্ত ওয়ার্ডের ১৯ জন কাউন্সিলারের নাম ঘোষনা করেন । এর মধ্যে ১২ জন সদস্যই তার চেয়ারম্যানের পরিবারের লোকজন। অপর পক্ষে উক্ত ওয়ার্ডেও মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাহার হান্নান এর পরিবারে কাউকে কাউন্সিলর হিসাবে রাখা হয়নি। ইয়াকে কেদ্র করে চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য সহ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সমর্থকদের মাঝে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। এরই এক পর্যায়ে চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম সহ তার লোকজন কে লেলিয়ে দিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান আহসান হাসান জুয়েল কে বেধড়ক প্রহার করে গুরুতর আহত করে । এরই প্রতিবাদে গত ৬ জুলাই, সকাল ১০ ঘটিকায় মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের পক্ষে স্থানী আঃ লীগ এর সমর্থক ও এলাকাবাসী মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ আয়োজন করেন। উক্ত প্রতিবাদ সভায় মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাহারুল হান্নান এর স্ত্রীর নূরজাহান বেগম এর সভাপত্বিতে বক্তব্য রাখেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা সন্তান মনোয়ার হাসান লাবলু, আহসান হাসান জুয়েল, সাবেক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি আহাম্মদ আলী, আঃ লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম প্রমূখ। বক্তাগণ বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারে সন্তান, আহসান হাসান জুয়েল বক্তব্য মাঝে বলেন চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম বাবা ১৯৭১ সালে পিছ কমিটির সক্রীয় কর্মী ছিলেন, এমন কি তার পরিবারে এখনো জামাত শিবিরের শক্রীয় কর্মী রয়েছে। এব্যাপারে চেয়ারম্যানের সাথে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি জানান যে, আঃ লীগের কেউ না, আমি শুধু ঘটনা স্থলে উপস্থিত ছিলাম। সেখানে কোন অপ্রিতীকর কোন ঘটনা ঘটেনি। অপরদিকে ইউনিয়ন আঃ লীগের সভাপতি বকুল মিয়া জানান যে, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য হইতে চাইনি ফলে আমরা তাদের কে কমিটিতে রাখিনি। এ ঘটনাকে কেদ্র করে উক্ত এলাকায় উভয় পক্ষের মাঝে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে, যেকোন মুহুর্ত্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্স ঘটতে পারে। এলাকাবাসী এব্যাপারে উর্ধতণ কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

পীরগঞ্জে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন
রেকর্ডকৃত রাস্তা ভেঙ্গে জলাশয়ে পরিণত!!
মোস্তফা মিয়া,পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি ঃ

পীরগঞ্জে এক ভূমিদস্যু কর্তৃক সরকারি রেকর্ডকৃত রাস্তাার পার্শ্বে ৩৫ থেকে ৪০ ভিট গভীর করে স্যালোমেশিন দিয়ে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন করায় রাস্তা ভেঙ্গে জলাশয়ে পরিণত হয়েছে। এঘটনাটি ঘটেছে উপজেলা কুমরসই করতোয়া নদীর পার্শ্বে।এলাকাবাসী ও ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক সূত্রে জানা যায়, উপজেলা কোচার পাড়া গ্রামের মৃত মাজেদ মিয়ার পুত্র ভূমিদস্যু গোলাম মওলা কুমরসই করতোয়া নদীর নিকট হতে নসিমনপুর পর্যন্ত যোগাযোগ স্থাপনকারী রাস্তাার পার্শ্বে মাত্র ১ একর জমি ক্রয় করেন। ক্রয়কৃত ঐ জমিতে ৩৫ থেকে ৪০ ফিট গভীর করে স্যালোমেশিন দ্বারা গভীর করে বালু উত্তোলন করছেন। ফলে আশ পাশের চার-পাঁচজন কৃষকের প্রায় ৫ থেকে ৬ একর জমি ভেঙ্গে পড়ে বিশাল একটি জলাশয়ের সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকগণ অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন বন্ধের জন্য বাধা দিতে গিয়ে অনেক লাঞ্চিত হয়েছেন। ভূমিদস্যু মওলা একাকার প্রভাবশালী হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কেহ কথা বলার সাহস পায় না। এ নিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকেরা পীরগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করলে পীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সরেজ চন্দ্র বালু উত্তোলনকারী মেশিনটি জব্দ করে মামলা দায়ের করেন। কিছুদিন বালু উৎত্তোলন বন্ধ রাখলেও অজ্ঞাত কারণে পুনরায় বালু উত্তোলন শুরু করেন এর ফলে সরকারি রেকর্ডকৃত রাস্তাাটি ভেঙ্গে জলাশয়ে পরিণত হয়। এরপর এলাকাবাসী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট বিষয়টি লিখিত ভাবে অবগত করলে তার নির্দেশে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) সঞ্জয় কুমার মহন্ত অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারী স্যালোমেশিনটি জব্দ করেন এবং তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। ভূমিদস্যু মওলা আদালত থেকে জামিন নেওয়ার পর রাস্তার পার্শ্বে পুনরায় বালু উত্তোলন শুরু করে অবৈধভাবে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। সরেজমিনে দেখতে গিয়ে দেখা যায় যে, কুমরসই হইতে নসিমনপুর পর্যন্ত রাস্তাাটি ভেঙ্গে জলাশয়ে পরিণত হয়েছে। গত ২ জুলাই এলাকাবাসী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) সঞ্জয় কুমার মহন্তের নিকট রেকডকৃত রাস্তাটি পুনরায় নির্মাণসহ ভুমিদস্যু গোলাম মওলাকে গ্রেফতার পূর্বক অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারী মেশিনটি জব্দ করার জন্য লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এব্যাপারে অভিজ্ঞ মহল জরুরী পদক্ষেপ নিয়ে সরকারি রেকর্ডকৃত রাস্তা উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন।
ফলোআপ পীরগঞ্জে অবসর প্রাপ্ত
বিজিবি সদস্যের রহস্য জনক মৃত্যুর
মোস্তফা মিয়া,পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি ঃ

পীরগঞ্জে অবসর প্রাপ্ত এক বিজিবি সদস্যের রহস্য জনক মৃত্যুর ২৪ দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত কোন রহস্য উৎঘাটন করতে পারেনি।প্রকাশ, উক্ত অবসর প্রাপ্ত বিজিবি সদস্য মাসুদ মিয়া (৪০) ভেন্ডাবাড়ী ইউনিয়নের শরিফপুর গ্রামের মোঃ কাইয়ুম মিয়ার পুত্র। সে গত ৮ বছর পূর্বে বিজিবি থেকে অবসর গ্রহণ করে। অবসর নেওয়ার পর থেকে পিতা-মাতার সঙ্গে পারিবারিক কলহের কারণে ভেন্ডাবাড়ীতে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করে আসছেন। উল্লেখ্য প্রায় ৫ বছর পূর্বে তার স্ত্রীর সঙ্গেও বনিবনা না হওয়ায় স্ত্রী তাকে তালাক দিয়ে চলে যান। বর্তমানে সে একাই ভেন্ডাবাড়ী রূপালী ব্যাংক সংলগ্ন মৃত আলহাজ্ব নজরুল মিয়ার ভাড়াটিয়া বাসায় অবস্থান করত। এরই এক পর্যায় গত ১৫/০৬/১৯ ইং রোজ শনিবার বেলা ১.০০ ঘটিকার সময় তার ভাড়াকৃত রুমে সাবেক চেয়ারম্যান মুনজুর হোসেন মন্ডল তার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান। পরবর্তীতে পুলিশে খবর দিলে পীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সরেশ চন্দ্র ঘটনাস্থল পরিদর্শন পূর্বক লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেন। ঝুলন্ত লাশটি চেয়ারের উপর পা দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল, গলায় ফাঁসির দড়ি খুব শক্ত ভাবে গিট লাগানোর পাশাপশি পুনরায় অপর একটি রশি দ্বারা পুরায় আকেটি গিট পেচানো ছিল, যেটি মৃত ব্যক্তির পক্ষে করা সম্ভব নয়। মৃতের নাক মুখ দিয়ে প্রচন্ড রক্ত ক্ষরণের চিহ্নসহ দুই ও কোমরে আঘাতের চিহ্ন ফুটে উঠেছে। যা দেখে এলাকাবাসীসহ পুলিশ ও পরিবারের লোকজন এটাকে পরিকল্পিত হত্যাকান্ড হিসাবে আখ্যায়িত করেছেন। ধারনা করা হচ্ছে তাকে অর্থনৈতিক অথবা নারী ঘটিত বিষয়ে অনত্র্যে হত্যার পর তার শোবার ঘরে নিয়ে এসে গলায় দড়ি পেচিয়ে লাশটি ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে জনমনো বিভিন্ন জলপোনা কল্পনা শুরু হয়েছে। এ ব্যাপারে নিহত মাসুদের পিতা পীরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কয়েকজনকে থানায় এনে জিজ্ঞাবাদ করে ছেড়ে দিয়েছে। এ ঘটনার ২৪ দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত কোন রহস্য উৎঘাটন করতে না পারায় এলাকাবাসীর মনে নানান সংশয়ের সৃষ্টি হয়েছে। ধারনা করা হচ্ছে পুলিশ অথবা নিহতের পরিবার হত্যাকান্ডটি ভিন্ন খাতে প্রবাহের চেষ্টা করছেন ।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/১০জুলাই ২০১৯/ইকবাল

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ