April 18, 2019, 8:51 am

শিরোনাম :
তিন উপায়ে চোখ রক্ষা করুন স্মার্টফোন থেকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বারবার বিকৃত হয়েছে: রেলমন্ত্রী মুজিবনগর দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা আগামী সপ্তাহ থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বয়ে যেতে পারে তাপপ্রবাহ নুসরাতের খুনিদের আইনি সহায়তা না দেওয়ার ঘোষণা ফেনীর আইনজীবীদের রাজনীতিবিদদের ব্যর্থতায় আক্ষেপ ঝরলো ফখরুলের কণ্ঠে জাহালমের কারভোগের পেছনে জড়িতদের দেখা হবে: হাইকোর্ট ভবন ভাঙতে সময়ের আবেদন প্রত্যাহারে বিজিএমইএর সভাপতিকে নোটিশ দেশে শিশু মৃত্যুর হার ৭৫ শতাংশ কমেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী তিতাসের ২২ খাতে দুর্নীতি চিহ্নিত করে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন দিয়েছে দুদুক

অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের সময় হুমকি দিয়ে কেউ পার পাবে না: ভূমিমন্ত্রী

Spread the love

অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের সময় হুমকি দিয়ে কেউ পার পাবে না: ভূমিমন্ত্রী

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

চট্টগ্রামে কর্ণফুলীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের সময় হুমকি দিয়ে কেউ পার পাবে না বলে জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। তিনি বলেছেন, কেউ হুমকি দিলে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের গতি দ্বিগুণ করা হবে। গতকাল শনিবার নগরের মাঝির ঘাট এলাকায় কর্ণফুলীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিদর্শনে এসে ভূমিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ বলেন, আগের বাংলাদেশ এখন নেই। এটা একুশ শতকের বাংলাদেশ। এটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ। এখানে আমাদের ইন্টেলিজেন্স ভেরি স্ট্রং। কেউ হুমকি দেবে, আমরা আমলে নেবো- এমন হবে না। যার সাহস আছে সে হুমকি দেয়? কে হুমকি দিচ্ছে? কী হুমকি দিচ্ছে? হুমকি দিয়ে কেউ পার পাবে? কেউ পার পাবে না, যোগ করেন ভূমিমন্ত্রী। জাবেদ বলেন, অনেকে মনে করছেন, শুরুটা করলাম- তারপর মনে হয় উচ্ছেদ কাজ বন্ধ হয়ে যাবে। নো, এটা হবে না। আমি থাকতে কাজ বন্ধ করতে দেবো না। কাজ শুরু হয়েছে। কাজ শেষ হবে। কর্ণফুলী নদীকে ঘিরে যে পরিকল্পনা আমরা নিয়েছি, সেটা বাস্তবায়ন করা হবে। ভূমিমন্ত্রী বলেন, অবৈধ কোনো স্থাপনা আমরা রাখবো না। তবে এখানে কিছু বিষয় আছে। অবৈধ স্থাপনার মধ্যে একটা কোল্ড স্টোরেজ আছে। এতে ব্যবসায়ীরা কয়েক হাজার টন মাছ স্টকে রাখেন। ব্যবসায়ীদের ক্ষতি করে কোনো কাজ করলে দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তিনি বলেন, শো অফ কিংবা পাবলিসিটির জন্য ধুমধাম করে উচ্ছেদ করে ফেললাম। এটার ‘কনসিকোয়েন্স’ কী- এটা ভাবলাম না, এ রকম হলে হবে না। কর্ণফুলী কিন্তু জাতীয় সম্পদ। এখানে প্রত্যেকটা কাজ আমাদের ‘ফাইন লাইন’ করে করতে হবে। কিন্তু কোনো স্থাপনা রাখা যাবে না। ইলিগ্যাল কোনো স্থাপনা থাকতে পারবে না। নির্দিষ্ট একটা সময় দিয়ে সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। বলেন ভূমিমন্ত্রী। সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ বলেন, আমরা রূপকল্প-২০২১ কিংবা রূপকল্প-২০৪১ এর কথা বলছি। এর মানে কী? এসব বই-খ্তাা কিংবা ফাইলের কোনো বিষয় না। রূপকল্প কাজের মধ্য দিয়ে, মাইন্ড ‘সেট আপের’ মধ্য দিয়ে বাস্তবায়ন করতে হবে। নদীগুলোকে দখলমুক্ত রাখাও কিন্তু এসব কাজের মধ্যে পড়ে। তিনি বলেন, এখানে আমরা দেশের জন্য কাজ করছি। জনগণের জন্য কাজ করছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চাইছেন দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে, একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ দেশ গড়তে। সবার সহযোগিতার মাধ্যমেই এটি সম্ভব।

প্রথম ধাপে কর্ণফুলির পাড়ের ১০ একর জমি উদ্ধার: চট্টগ্রামের কণর্ফুলী নদীর তীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের প্রথম পর্যায়ে পাঁচ দিনে ১০ একর জমি উদ্ধার করেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। এ সময় গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে দুই শতাধিক স্থাপনা। গত শুক্রবার পঞ্চম দিনেও অভিযান পরিচালনা করে পতেঙ্গা ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার তাহমিলুর রহমান ও নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলাম। তাহমিলুর রহমান বলেন, গত সোমবার থেকে শুরু হওয়া অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রমের প্রথম পর্যায় গত শুক্রবার শেষ হয়েছে। সদরঘাট থেকে বারিক বিল্ডিং এলাকা পযর্ন্ত নদী তীরের ২৩০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। আর উচ্ছেদ করা জমির পরিমাণ প্রায় ১০ একর। উচ্চ আদালতের নির্দেশে গত সোমবার নদীর দুই তীর থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের অংশ হিসেবে সদরঘাট জেটিঘাট এলাকায় অভিযান শুরু করে প্রশাসন। গতকাল শনিবার উচ্ছেদ করা এলাকায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন আবর্জনা অপসারণের কাজ করে।

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ